সিটি কর্পোরেশন

  

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা

নানা ঐতিহাসিক ঘটনা রাজশাহীর ইতিহাসকে গৌরবমন্ডিত করেছে। এ অঞ্চল প্রাচীন বাংলার পুন্ড্রবর্ধন নামক জনপদের অংশ ছিল। বিজয় সেনের রাজধানী ছিল রাজশাহী শহর থেকে ৯ মাইল পশ্চিমে। ১৮৫৯-৬০ সালে এ জেলায় নীল আবাদ হয়েছে। ২৪ এপ্রিল, ১৯৫০ সালে রাজশাহী জেলের খাপড়া ওয়ার্ডে পুলিশের বেপরোয়া গুলিবর্ষণে সাতজন কমিউনিস্ট নেতা নিহত হন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে আত্মাহুতি দিয়েছেন রাজশাহীর বীর সন্তানেরা। ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নস্বরূপ এখানে ৬টি গণকবর, একটি বধ্যভূমি ও ৪টি ভাস্কর্য রয়েছে। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ এদেশের প্রতিটি গণআন্দোলনে রাজশাহীর গৌরবময় ভূমিকা রয়েছে। রাজশাহীর শীর্ষ বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের গৌরব ও কান্নার ইতিহাস জড়িয়ে আছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি এদেশের মুক্তিপাগল মানুষের প্রত্যয়কে ঘোষণা করে-

‘‘সাবাশ বাংলাদেশ,

এ বিশ্ব অবাক তাকিয়ে রয়,

জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার

তবু মাথা নোয়াবার নয়।’’

ডাঃ একেএম আলম, বীরপ্রতীক
জনাব মোঃ শামসুল আলম, বীরপ্রতীক
জনাব বদিউজ্জামান টুনু, বীরপ্রতীক
জনাব নূর হামিম রিজভী, বীরপ্রতীক
জনাব মোঃ আজাদ আলী, বীরপ্রতীক
জনাব মোঃ সাঈদ খান, বীরপ্রতীক
  

বিজ্ঞাপন

.