logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে বিপর্যস্ত রাজশাহী বিএনপি
বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রাজশাহীতে চরমে পৌঁছেছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল। নিজেদের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব-কোন্দলে ভিতর থেকে ক্ষয়ে যাচ্ছে রাজশাহী বিএনপি। মহানগর ও জেলাসহ বিভিন্ন ইউনিটে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর কমিটি গঠন করতে গিয়ে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করা এবং পরীক্ষিত নেতাদের 'মাইনাস' করার তৎপরতায় এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। দলের মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনু এবং জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির বিশেষ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফার নেতৃত্বে বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে আগে থেকেই সক্রিয় দুটি গ্রুপ। এক সময় অ্যাডভোকেট কবীর হোসেন ও ব্যারিস্টার আমিনুল হকের নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি বিভক্ত হলেও দলে এ দুই নেতা এখন কোণঠাসা। অপরদিকে ত্যাগী নেতাদের সমন্বয়ে সক্রিয় হচ্ছে আরেকটি গ্রুপ। ফলে রাজশাহী বিএনপি এখন তিন ভাগে বিভক্ত হতে চলেছে। এ অবস্থায় আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের ভরাডুবির আশঙ্কা করছেন অনেকে।

দলের একাধিক সূত্র জানায়, ওয়ান-ইলেভেন ঝড়ে বিধ্বস্ত রাজশাহী বিএনপি ধীরে ধীরে চাঙ্গা হতে শুরু করলেও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দলের অগ্রযাত্রাকে থমকে দিয়েছে। এ অবস্থায় মিজানুর রহমান মিনু ও অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফাকে টেক্কা দিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে নতুন আরেকটি গ্রুপ। এ গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন অ্যাডভোকেট শাহিন শওকত, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলসহ কয়েকজন। এ বিষয়ে তারা কেউই মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ গ্রুপের এক নেতা জানান, রাজশাহী মহানগর ও জেলা বিএনপিতে যে কোনো সময় তৃতীয় নেতৃত্ব আত্মপ্রকাশ করতে পারে। স্থানীয় বিএনপির একাধিক ত্যাগী নেতা জানান, রাজশাহী মহানগর বিএনপির কমিটিতে দলের অনেক ত্যাগী ও নবীন নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। তাদের বাদ দিয়ে বেশকিছু সুবিধাবাদী ও বিতর্কিত নেতাদের মহানগর বিএনপির কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে। সার্বিক বিষয় নিয়ে যোগাযোগ করা হলে মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনু বলেন, বড় দল হিসেবে বিএনপিতে নেতার সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। তাদের নেতৃত্বে আসার আকাক্সক্ষাও রয়েছে। ফলে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় ছোটখাট দ্বন্দ্ব থাকাটা স্বাভাবিক। জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির বিশেষ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফা বলেন, নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকবে। এ নিয়ে দ্বন্দ্বও থাকবে। তবে যোগ্যতা ও দলের পক্ষে অতীত কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করে বিএনপির নেতৃত্ব তৈরি করতে কোনোদিন ভুল হয়নি, আগামীতেও হবে না।

পাতাটি ৩১৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন