logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo গাইবান্ধায় ৩৫ জনের জন্য কম্বল ১টি
গাইবান্ধায় ৩৫ জন মানুষের জন্য মাত্র ১টি কম্বল বরাদ্দ এসেছে। হঠাৎ করেই গাইবান্ধা জেলার সর্বত্র কনকনে ঠাণ্ডা শুরু হয়েছে। গত ক’দিন থেকে ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলা সুর্যের মুখও দেখা যায় না।
ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা থেকে দূরপাল্লার যানবাহন যাতায়াতের েত্ের মারাত্মক সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক বিলম্বে গন্তব্যে পৌঁছে যানবাহন। আমন কাটা মাড়াইয়ের জন্য নিয়োজিত কৃষি মজুররা ঘন কুয়াশার কারণে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। ধান কাটার কামলারা ঠাণ্ডার কারণে কাজে যেতে পারছেন না। তিস্তা যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তীসহ ৬৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চরাঞ্চলের দেড় লাখ দরিদ্র মানুষের অবস্থা খুব কাহিল। দরিদ্র এসব পরিবার সারা বছর অন্যের জমি চাষ ও বিভিন্ন স্থানে গতর খেটে পেটের খাবার যোগার করে । কিন্তু বিভিন্ন দুর্যোগের সময় তারা অতি কষ্টে জীবন বাঁচায়। পেটের খাবার যোগাড় করাই কঠিন তার উপর শীত বস্ত্র কেনার মতো সামর্থ্য তাদের নেই। তাই শীত এলে চরাঞ্চলের মানুষের আগুন পোহানো ছাড়া কোন উপায় থাকে না। এসব এলাকার মানুষ দিনের বেলা ঘর থেকে বের হতে পারে না। রাতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘরের মধ্যে কাঁথা মুড়ি দিয়ে থাকতে হয়। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা শাহ আলম জানান, গাইবান্ধা জেলায় অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়িয়ে যাবে। তার মধ্যে প্রায় ২ লাখ পরিবারের অবস্থা খুবই শোচনীয়। তাদের অনেকেই প্রতিবন্ধী রয়েছে। যারা অন্যের সাহায্য ছাড়া চলতে পারে না। সরকারি-বেসরকারি সাহায্য এবং ত্রাণের ওপর নির্ভর করে জীবন বাঁচে। গাইবান্ধার জেলা প্রশাসন শীতের তীব্রতাকে মনে করে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চাহিদা জানিয়ে পত্র পাঠানো হয়। কিন্তু ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে মাত্র ৭ হাজার পিস কম্বল বরাদ্দ পেয়েছে। ইতিমধ্যে শীতের তীব্রতার কারণে গাইবান্ধায় ৭৩৮ পিস, পলাশবাড়ীতে ৪৫০, গোবিন্দগঞ্জে ৬০৯, সাঘাটায় ৪৮৬, ফুলছড়িতে ৩৭৭, সুন্দরগঞ্জে ৬০৯, সাদুল্লাপুরে ৫১৬ পিস কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আড়াই লাখ অতিদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের জন্য মাত্র ৭ হাজার কম্বল বিতরণের জন্য ইতিমধ্যে কর্তৃপকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই হিসাব অনুযায়ী গাইবান্ধায় ৩৫ জন লোকের জন্য একটি কম্বল ভাগে পড়েছে।

পাতাটি ৩১৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন