logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo যুদ্ধাপরাধীদের আইনজীবীরা বিএনপিপন্থী: কামরুল
বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা করছে- আবারো এ অভিযোগ তুলে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, লক্ষ করলে দেখবেন যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে জামায়াতপন্থী রয়েছেন পাঁচজন, বাকি পঁচিশ জনই বিএনপিপন্থী।

শুক্রবার সকালে এক অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, "যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনে জিয়াউর রহমানের বাকি রেখে যাওয়া কাজ সম্পন্ন করছেন খালেদা জিয়া।

"জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভাতেও যুদ্ধাপরাধী ছিলো। খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভাতেও যুদ্ধাপরাধী ছিলো। এখন তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে বিএনপি।"

জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব কবিতাকণ্ঠ পরিষদ আয়োজিত '৭২'এর সংবিধান প্রবর্তন ও যুদ্ধাপরাধী ঘাতকদের ফাঁসি চাই' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন আইন প্রতিমন্ত্রী।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে আবারো বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল নায়ক হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, "মামলার প্রক্রিয়া শুরুর আগেই জিয়া মৃত্যুবরণ করেন, তাই তাকে আসামি করা যায়নি। যেমন আসামি করা যায়নি মোশতাককেও।"

১৯৭৫ সালে ১৫ অগাস্ট ধানমণ্ডির নিজ বাড়িতে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে একদল সেনা সদস্য। তখন সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান ছিলেন জিয়াউর রহমান।

বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা সে সময় দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।

৭১'এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে আইন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, "আমরা একটি স্বচ্ছ বিচার করতে চাই। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিচার করতে চাই। কোনো প্রশ্নবিদ্ধ বিচার আমরা করতে দেবো না। এ জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"

একাত্তরে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মামলায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লাকে স�প্রতি এজন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়।

এরপর সাঈদী ছাড়া বাকি চারজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করানোর পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সাঈদীকে হাজির করার কথা রয়েছে ২৪ অগাস্ট।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ বিচারের জন্য আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গত ২৫ মার্চ তদন্ত সংস্থা, আইনজীবী প্যানেল ও ট্রাইব্যুনাল গঠনের ঘোষণা দিলে বহু প্রতীক্ষিত এই বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি কবি জাহাঙ্গীর আলম। আরো বক্তব্য রাখেন মিলি রহমান, মনোরঞ্জন ঘোষাল ও মীর হোসাইন আক্তার।

পাতাটি ২৮১ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন