logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo বিশ্বকবির মহাপ্রয়াণ দিবস আজ
আজ ২২ শ্রাবণ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে বাংলা সাহিত্যের অতুলনীয় এই প্রতিভার জীবনপ্রদীপ নিভে গিয়েছিল। বর্ষা ছিল তাঁর প্রিয় ঋতু। আবহমানকালের বাংলার বর্ষাকে যেন তিনি নতুন করে আবিষ্কার করেছিলেন। বৃষ্টির অজস্র জলধারায় পরিপুষ্ট তাঁর বিচিত্র রচনাসম্ভার। এই বর্ষা ঋতুতেই ঘটেছিল তাঁর মহাপ্রয়াণ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক বাঙালির রুচির নির্মাতা। বাঙালির প্রতিটি মুহূর্তের আবেগ-অনুভব-অনুভূতির ঘনিষ্ঠ সঙ্গী তাঁর বৈচিত্র্যময় রচনা। সংগীত, কাব্য, নাটক, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনি ও পত্রসাহিত্যসহ সব রকম রচনাকর্ম তাঁর প্রতিভার স্পর্শে সোনার মতো দীপ্তিমান হয়ে উঠেছে। তাঁর সাহিত্যসম্ভার বাংলা ভাষাকে পৌঁছে দিয়েছে বিশ্বদরবারে। ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে তাঁর নোবেল পুরস্কার পাওয়া এরই স্বীকৃতি। জীবনের শেষ পর্যায়ে চিত্রকর্মে অভিনিবেশ করে তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের শিল্পকলায় ভিন্নতর মাত্রা সংযোজন করেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান আমাদের জাতীয় সংগীত। তিনি কেবল আমাদের আনন্দ-বেদনা, উত্সব-অভিলাষে প্রতি মুহূর্তের অনুষঙ্গীই নন, তিনি সংকটের সাহস, প্রতিবাদ-প্রতিরোধের প্রেরণাও। তাঁর কালজয়ী অমূল্য রচনাসম্ভার মানবতার জয়গানে চিরভাস্বর। শারীরিকভাবে তিনি অনুপস্থিত হলেও দিন দিন বাঙালির মন-মানসে তাঁর উপস্থিতি প্রতিনিয়তই স্পষ্ট, দীপ্তিমান ও অনিবার্য হয়ে উঠছে।
আজ শুক্রবার কবির প্রয়াণ দিবসে জাতি তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে বিশেষভাবে স্মরণ করবে।

পাতাটি ৩৩২ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন