logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলা
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর আত্মীয়কে মারধরের ঘটনায় গত মঙ্গলবার নগরের রাজপাড়া থানায় মামলা হয়েছে। এতে হাসপাতালের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি শাহ আলম সিদ্দিকীসহ ৩০-৪০ জন শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে আসামি করা হয়।
মারধরে গুরুতর আহত ফিরোজ নামের সেই যুবককে হাতকড়া পরা অবস্থায় ওই হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ফিরোজের বাবা আবদুর রশিদের ভাষ্য, গত রোববার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আবদুল হক (৫৫) নামে তাঁর এক আত্মীয়কে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের আট নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তখন শাহ আলম সিদ্দিকী ওই ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একপর্যায়ে একজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক ওই ওয়ার্ডে আসেন। তিনি শাহ আলমের কাছে জানতে চান, গুরুতর কোনো রোগী ওই ওয়ার্ডে আছেন কি না। উত্তরে শাহ আলম জানান, এ রকম কোনো রোগী নেই। ওই জ্যেষ্ঠ চিকিৎসককে চলে যেতে দেখে ফিরোজ তাঁকে আবদুল হকের অবস্থা জানান। এতে ওই শিক্ষানবিশ চিকিৎসক ক্ষুব্ধ হন। এ নিয়ে ফিরোজের সঙ্গে তাঁর বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শাহ আলম তাঁর ৪০-৫০ জন সহকর্মীকে ডেকে আনেন।
ফিরোজের বাবা বলেন, ‘আমার চোখের সামনে তাঁরা আমার ছেলেকে বেদম মারধর করে।’
পরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ফিরোজের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাঁকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে শাহ আলম সিদ্দিকী বলেন, আমরা ওই রোগীকে তো চিকিৎসা দিচ্ছিলামই। এর পরও ফিরোজ উত্তেজিত হয়ে প্রথমে আমাকে ঘুষি মারে।

পাতাটি ২৫৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন