logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo আবারো তীব্র লোডশেডিং : নাকাল রাজশাহীবাসী
অসহনীয় গরম। সেই সঙ্গে ভয়াবহ লোডশেডিং। সব মিলিয়ে নাকাল রাজশাহীবাসী। গত মাসে লোডশেডিং কিছুটা কমলেও আবারো তা বেড়েছে। সেচ মৌসুম শেষে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। দিনে ১০/১২ বার লোডশেডিং-এর স্থলে ৫/৬ বারে নেমে আসে। গত কয়েকদিনে লোডশেডিং আবারো বেড়েছে। এলাকাভেদে দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। তবে লোডশেডিং-এর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়াকে দায়ী করছে কর্তৃপক্ষ।

এতে নিত্যনৈমিত্তিক কাজ করতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকায় পড়ালেখা করতে সমস্যা হচ্ছে। মোমবাতির আলোয় তাদের পড়তে হচ্ছে।

গত কয়েকদিনে আবারো শুরু হয়েছে ভয়াবহ লোডশেডিং।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মেঘনাঘাট ৪৫০ মেগাওয়াটের ৩টি ইউনিট, ঘোড়াশালের ২১০ মেগাওয়াটের ৬নং ইউনিট, রাউজান ২১০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও মেরামত ও সংরক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে আরো কিছু কেন্দ্র। সব মিলিয়ে মেরামত ও সংরক্ষণের কারণে প্রতিদিন প্রায় ৯৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম উৎপন্ন হচ্ছে। এছাড়া গ্যাস ও পানি স্বল্পতায় ৪২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম উৎপন্ন হচ্ছে। এদিকে মেঘনাঘাট কেন্দ্রটি মেরামতে আরো ৪/৫ দিন সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিপিডিসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সেচ মৌসুমে ঢাকায় ৪৫ শতাংশ লোডশেডিং হতো। গত সপ্তাহে এ লোডশেডিং কমে ২০ শতাংশ হলেও শুক্রবার থেকে আবার তা বেড়ে ৪০ শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে।

এ ব্যাপারে ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সালেহ আহমেদ বলেন, লোডশেডিংয়ের মূল কারণ চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়া। গত কয়েকদিনের তুলনায় গরম বেড়েছে। ফলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আবারো জটিল আকার ধারণ করছে। এছাড়া গত কয়েক দিনে কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নগরবাসী লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছেন।

পাতাটি ২৭৬ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন