logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo সরকারের হাতে দেশ নিরাপদ নয় !
আগামী ১৯মে ঢাকায় মহাসমাবেশ থেকে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, দেশের মা বোনদের জীবনের নিরাপত্তা নেই। এই সরকারের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। ইডেন কলেজে কি হচ্ছে? মেয়েদের মন্ত্রী, এমপি ব্যবসায়ীদের মনোরঞ্জনের জন্য দেয়া হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্যাতন দখল হচ্ছে। এই সরকারের হাতে দেশ, ছেলেমেয়ে নিরাপদ নয়। তাই এই সরকার চাই না। তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিলে আপনারা থাকবেন কিনা? নির্যাতন অত্যচার সহ্য করতে পারবেন কিনা। স্বৈরাচার হটিয়েছি। মইন-ফখরুদ্দিন চেষ্টা করেও বিএনপিকে ভাঙতে পারেনি। আন্দোলন করলে আপনাদের সঙ্গে আছি, থাকবো। দেশকে রক্ষা করার জন্য নিজেদের তৈরি করুন। এসময় উপস্থিত সকল নেতাকর্মী হাত উঠিয়ে আন্দোলনে থাকার অঙ্গীকার করেন। তারা শিগগিরই হরতাল দেয়ার জন্য খালেদা জিয়ার প্রতি আহবান জানালে তিনি বলেন, হরতাল হবে।
সরকার সকল ক্ষেত্রে দুর্নীতি করছে এমন অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, এই সরকারের প্রধান থেকে শুরু করে সকলেই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। তাদের সকল অনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য প্রমাণ আমাদের কাছে আছে এবং আরো আসছে। সময়মতো জনগণের সামনে এগুলো উন্মোচন করা হবে। গতকাল বুধবার রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে আয়োজিত মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদ্যুতের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছিলো এমন অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমানে হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ সংকট কিছুটা কমে গেছে। বিনা টেন্ডারে তাদের দলের লোকজন ও আত্মীয় স্বজনদের কাজ পাইয়ে দেয়া এবং বিদেশীদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য তারা বিদ্যুতের এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছিলো। আমাদের সময়ে কম দামে রেন্টাল বিদ্যুৎ আনার উদ্যোগ নিলেও পরে সেগুলো বাতিল করা হয়। কিন্তু বর্তমানে উচ্চমূল্যে রেনটাল বিদ্যুত আনা হচ্ছে। এতে তিন বছরে রাষ্ট্রের ৬০ হাজার কোটি টাকা লোকসান গুণতে হবে। যদি সময় মতো টেন্ডার আহবান করা হতো তবে এই লোকসান হতো না।
তিনি বলেন, কৃত্রিম সংকটের কারণে অনেক শিল্প-কারখানা বন্ধ করা হয়েছিলো। এতে প্রচুর ক্ষতি হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় দেশী বিদেশী বিনিয়োগ বন্ধ ছিলো। ফলে জেনারেটর চালিয়ে কিছু কিছু শিল্পকারখানা তাদের উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে। এতে করে আমাদের উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। যার কারণে আমরা বিদেশী বাজার হারিয়েছি। এছাড়া অনেক শ্রমিক বেকার হয়েছে।
অবিলম্বে সাবেক সেনাপ্রধান মইনউদ্দিনের গ্রেফতার দাবি করে তিনি বলেন, সদ্য বিদায়ী জাতিসংঘের বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি রেনেটা লক ডেসালিয়ান বলেছেন, জাতিসংঘ থেকে শান্তিমিশনের জন্য বাংলাদেশের কোন সৈন্য নেয়া হবে না এরকম কোন চিঠি তারা দেয়নি। রেনেটা মইন-ফখরুদ্দিনরা মিলে এই চিঠি তৈরি করেছে। এই তথ্য আমাদের কাছে আছে। অথচ তখনকার সেনাপ্রধান মইনউদ্দিন মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি ও সেনাবাহিনীকে বিভ্রান্ত করেছিলো। মইন রাষ্ট্রপতিকে বলেছিলো জরুরি অবস্থা জারি না হলে জাতিসংঘ সৈন্য নেবে না এবং দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্রোহ দেখা দিবে। তার এই কথায় রাষ্ট্রপতি সময় চেয়েছিলেন কিন্তু তাকে সময় না দিয়ে বন্দুক দেখিয়ে জোর করে জরুরি আইন জারিপত্র সই করে নেয়া হয়। মইন-ফখরুদ্দিনরা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিলো। মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দেয়ার জন্য মইনের বিচার করতে হবে। আওয়ামী লীগ এর সবই জানতো। তাদের যদি মইনের প্রতি কোন দুর্বলতা না থাকে আমি তার বিচার দাবি করছি।
রাজশাহীর সমাবেশে আসতে নেতাকর্মীদের বাধা দেয়া ও হামলার নিন্দা জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, রাজশাহী সমাবেশে আসার সময় নাটোরের সিংড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা গাড়িবহরে হামলা চালায়। এতে জাকির হোসেন নামে একজন নিহত ও অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আওয়ামী লীগ এ রকমই। তারা বিএনপির সমাবেশ দেখলে ভয় পায়। আমরা ভাড়া করে লোক আনি না। তাদের রয়েছে অস্ত্রশস্ত্র। কিন্তু আমাদের শক্তি জনগণ। তাই বিএনপির সমাবেশে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই উপস্থিত হয়।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কথায় কথায় জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা বেশি। কিন্তু ১৯৮৬ সালে তারা জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদে গিয়েছে। অথচ তারা অঙ্গীকার করেছিলো নির্বাচনে যাবে না। জামায়াত যদি বিএনপির সঙ্গে থাকে তবেই তাদের সমস্যা কিন্তু তাদের সঙ্গে থাকলে জামায়াতের কোন দোষ নেই।
রাজশাহীর সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিভাগের ১৬ জেলা থেকে নেতাকর্মীরা বাস ট্রাকে করে সমাবেশস্থলে যোগ দেয়। আশপাশের জেলায় বৃষ্টি না হলেও রাজশাহী সদরে বিকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। নেতাকর্মীরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে জিয়া খালেদা ও তারেক রহমানের ছবি প্লাকার্ড নিয়ে সমাবেশে যোগ দেয়। খালেদা জিয়া বিকাল সাড়ে তিনটায় সার্কিট হাউসে না গিয়ে সরাসরি স্টেজে চলে যান। বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত বক্তাদের বক্তব্যের সুযোগ না দিয়ে খালেদা জিয়া সরাসরি বক্তব্য শুরু করেন। তিনি যখন বক্তব্য দিচ্ছেন তখনো অঝর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছিলো। বৃষ্টিতে ভিজেই জনগণ এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিএনপি চেয়ারপারসনের বক্তব্য শোনেন।
বিচার বিভাগ স্বাধীন নয় অভিযোগ করে তিনি বলেন, ফখরুদ্দিন-মইনউদ্দিনের মতো এখনো বিচারপতিদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিচ্ছে না। হাইকোর্টের বিচারপতিরাই স্বীকার করে বলেছেন, আমাদের হাত পা বাঁধা। এভাবে চললে কোর্টের দরকার নেই। এই সরকার একের পর এক মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। দেশের মানুষ বিচার পায় না। আদালতে গেলে ন্যায়বিচার পাবে সেটুকু আশা করেছিলো। কিন্তু সেখানেও দলীয়করণ করা হয়েছে। তাদের দলের লোকদের বিচারক নিয়োগ দিয়ে আদালত নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। তাদের পক্ষে রায় দেয়ার জন্য বিচারপতিদের ভয়ভীতি দেখানো হয়। আজ ন্যায়বিচার পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এভাবে দেশ চলতে পারে না।
বিএনপি রাজশাহী বিভাগে ব্যাপক উন্নয়ন করেছিল উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, জিয়াউর রহমান বরেন্দ্র প্রকল্প চালু করেছিল। আওয়ামী লীগ এসে তা বন্ধ করে দিলেও আমি ক্ষমতায় এসে তা আবার চালু করি। এছাড়া রাজশাহী জেলায় গ্যাস উদ্বোধন করে গেছি। পদ্মা নদীতে বাঁধ, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, মহিলা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে রাজশাহীকে আধুনিক শহরে পরিণত করেছিলাম। এখন দেশে কোন উন্নয়ন নেই। আওয়ামী লীগ ব্যস্ত লুটপাট নিয়ে।
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আন্দোলন করতে গেলে আওয়ামী লীগ অনেক অত্যাচার-নির্যাতন করবে। আপনারা কি এগুলো সহ্য করতে পারবেন। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত জনতা হাত নাড়িয়ে নির্যাতন সহ্য করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন। আমি আপনাদের সঙ্গে আছি ছিলাম এবং থাকবো। আন্দোলন করতে হলে আপনাদের শক্তিশালী হতে হবে। আপনারা রাজি থাকলে আন্দোলনের ডাক দেবো। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। অনেক অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করার পরও আপনাদের ছেড়ে যাইনি। এই দেশকে আপানদেরকে ভালোবাসি। তাই যাইনি। কখনো যাইনি যাবো না। অনেকে জেল ছেড়ে আনন্দে গিয়েছে।
এই এলাকার কোন উন্নয়ন হয়নি দাবি করে খালেদা জিয়া বলেন, সরকার জিনিসপত্রের দাম কমাতে পারেনি। দশ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে, ঘরে ঘরে চাকরি দেবে বলেছিল কিন্তু কোন চাকরি হয়নি বরং চাকরিচ্যুত হচ্ছে। যারা কাজ বুঝে না দলীয় বিবেচনায় তাদের পদোন্নতি দিয়েছে কিন্তু যারা দক্ষ তাদের ওএসডি করে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা বিএনপি করে। এর ফলে প্রশাসন স্থবির হয়ে পড়েছে। কোন কাজ হচ্ছে না। বিদেশী বিনিয়োগ নেই। এই সরকারের ভুল এবং ভ্রান্তনীতির কারণে একদিকে বিদেশী বিনিয়োগ হচ্ছে না। আরেকদিকে বিদেশে কর্মরত শ্রমিকরা চাকরি হারাচ্ছে। কারণ বিদেশীরা এই সরকারকে বিশ্বাস করে না। করা উচিত কিনা তিনি সমাবেশে আসা জনতার কাছে জানতে চান। তারা না বলে চিৎকার করেন। প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গিয়ে সব দিয়ে এসেছে কিন্তু কিছুই আনতে পারেনি। আপনারা কি চট্রগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করতে দেবেন, আমাদের দেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিট দিবেন? নেতাকর্মীরা না বললে তিনি বলেন, তাহলে কি করতে হবে। সবায় সমস্বরে চিৎকার দিয়ে জবাব দেয় আন্দোলন। হরতাল হরতাল বলে তারা চিৎকার করে।
তিনি বলেন, দেশের মা-বোনদের জীবনের নিরাপত্তা নেই। এই সরকারের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। ইডেন কলেজে কি হচ্ছে। মেয়েদের মন্ত্রী-এমপি-ব্যবসায়ীদের মনোরঞ্জনের জন্য দেয়া হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্যাতন দখল হচ্ছে। এই সরকারের হাতে দেশ, ছেলেমেয় নিরাপদ নয়। তাই এই সরকার চাই না। মইন-ফখরুদ্দীন আর আওয়ামী লীগ বলে বিএনপি নাকি কিছুই করে নাই। বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। যাতে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে না পারে।
পথে পথে সংবর্ধনা ঃ
এর আগে সকাল সাড়ে নয়টায় খালেদা জিয়া ক্যান্টমেন্টের বাসভবন থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন। টঙ্গীতে ফজলুল হক মিলনের সমর্থকরা তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। এরপর চেরাগআলী মার্কেটের সামনে হাসানউদ্দিন সরকারের সমর্থক, গাজীপুর চৌরাস্তায় আব্দুল মান্নানের, সফীপুরে হান্নান শাহ, কোনাবাড়িতে অধ্যাপক এম মান্নানের, কালিয়াকৈর মৌচাকে কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুলের সমর্থকরা, চন্দ্রায় হুমায়ুন কবিরের সমর্থকরা, কোটবাড়িতে হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকরা, মির্জাপুরের দেওহাট্টায় সাঈদ সোহরাব, মির্জাপুরে আবুল কালাম আজাদ, দেলদুয়ারে এডভোকেট গৌতম চক্রবর্ত্তীর সমর্থকরা, বাসাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আহমেদ আজম খানের সমর্থকরা, এলেঙ্গা বাসস্টান্ডে লুৎফর রহমান মতিন ও লুৎফর রহমান খান আজাদের সমর্থকরা বিএনপি চেয়ারপারর্সনকে রাস্তায় দু'পাশে দাঁড়িয়ে স্বাগত জানান। এসময় খালেদা জিয়া হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের অভিনন্দনের জবাব দেন। দুপুর বারোটায় বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ে প্রায় আধাঘন্টা বিশ্রাম শেষে তিনি আবার রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হন।
সিরাজগঞ্জে পশ্চিম পাশে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, কড্ডা মোড়ে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সমর্থকরা খালেদা জিয়াকে অভিনন্দন জানান। ইতোমধ্যে সিংড়া উপজেলায় নেতাকর্মীদের হামলার খবরটি জেনে হারুয়া নামক স্থানে গাড়ি বহর থামিয়ে দেন। হামলা থেকে পালিয়ে রক্ষা পাওয়া একটি মাইক্রোবাসের ড্রাইভার দেলোয়ারের সঙ্গে খালেদা জিয়ার বহরে থাকা কেন্দ্রীয় নেতারা কথা বলে ঘটনার বিবরণ শোনে চেয়ারপারর্সনকে অবহিত করেন। দশ মিনিট সেখানে অবস্থানের পর আবার যাত্রা শুরু করেন।
খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে টঙ্গী থেকে সমাবেশস্থল পর্যন্ত কয়েকশত তোরণ নির্মাণ করা হয়। এছাড়া রাস্তার দুইপাশে জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিশাল আকৃতির ছবি টাঙ্গিয়ে রাখা হয়। সমাবেশ শেষে খালেদা জিয়া রাজশাহী সার্কিট হাইসে প্রায় দুই ঘন্টা বিশ্রাম শেষে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
রাজশাহী মহানগর বিএনপি'র সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনুর সভাপতিত্বে এবং জেলা সভাপতি নাদিম মোস্তফার পরিচালনায় চেয়ারপারসনের উপস্থিতির আগে বিভাগীয় সমাসমাবেশের প্রধান সমন্বকারী স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, হারুন অর রশিদ, এডভোকেট সফিকুল হক মিলন, হাবিব উন নবী সোহেল, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমান উল্লাহ আমান, মো: শাহাজান, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুক, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শিরিন সুলতানাসহ কেন্দ্রীয় ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতা ও সাবেক এমপিরা উপস্থিত ছিলেন ।

পাতাটি ৩১০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন