logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo মেয়রের কাছ থেকেও চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ
রাজশাহীতে কাল বুধবার অনুষ্ঠিত হবে বিএনপির মহাসমাবেশ। এতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি থাকবেন। বিভাগীয় শহরে খালেদা জিয়ার সফর কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীতে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, মহাসমাবেশ উপলক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে এ মহাসমাবেশ আয়োজনের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে। এমনকি আওয়ামী লীগের নেতা ও রাজশাহীর মেয়রের কাছ থেকেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে রাজশাহীর রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে চাঁদা নেওয়া ও দেওয়ার ব্যাপারে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তাঁরা তা অস্বীকার করেছেন।
রাজশাহীর মহাসমাবেশ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগের সত্যতা জানতে চান সাংবাদিকেরা।
সংবাদ সম্মেলনে সমাবেশ উপলক্ষে সিটি করপোরেশনের মেয়র ও আওয়ামী লীগের নেতা এ এইচ এম খায়রুজ্জামানের কাছ থেকে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমানের ১০ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চান এক সাংবাদিক। এ সময় অপর এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, এক ব্যবসায়ী থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ সত্য কি না?
যাঁকে উদ্দেশ করে এসব প্রশ্ন, সেই বিএনপি নেতা ও সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান তাত্ক্ষণিকভাবে এর কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
পরিস্থিতি তাত্ক্ষণিক সামাল দিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাবেশ আয়োজনের প্রধান সমন্বয়ক গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশের জন্য আওয়ামী লীগের নেতারা টাকা দিলে তো ভালোই হয়েছে।’
পরে মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিএনপির সম্মেলনে আমার টাকা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ওরা মাদ্রাসার ময়দানে কিছু ল্যাট্রিন করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি করে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পরে ওরা নিজেরাই তা করেছে।’
আর ব্যবসায়ী শামসুজ্জামান আউয়াল বলেন, ‘একটি পত্রিকার বিরুদ্ধে আমি দুুটি মামলা করেছি। ওই পত্রিকার সাংবাদিক আক্রোশে আমার কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করে থাকতে পারেন।’
বিএনপির নেতা মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কারও কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। আওয়ামী লীগের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কথাটি ভিত্তিহীন।
সংবাদ সম্মেলনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় মহাসমাবেশ অতীতের সব মহাসমাবেশকে ছাড়িয়ে যাবে। আর এই সমাবেশ হবে রেকর্ড ভঙ্গ করার সমাবেশ। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে মহাসমাবেশে বিঘ্ন ঘটার কারণ নেই। যদি ঘটে তবে সরকারদলীয় লোকজনই ঘটাবে। তবে তাদের মোকাবিলা করতেও আমরা প্রস্তুত। সাংগঠনিক এবং পেশিশক্তির মাধ্যমে বর্তমান সরকারের সব বাধা মোকাবিলা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, জেলা বিএনপির সভাপতি নাদিম মোস্তফা, সাবেক সাংসদ আজিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পাতাটি ৩০৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন