logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিদিরপুর ক্যাম্পের বিডিআর সদস্য খলিলুর রহমানের অত্যাচার ও স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। তিনি ইচ্ছামত যখন তখন যে কাউকে চোরাকারবারিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে মামলায় ফাঁসিয়ে দিচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিদিরপুর বিডিআর ক্যাম্পের সামনের মোড় থেকে আব্দুস সামাদের পুত্র শামিম হোসেন (৩০) ও আব্দুল বাকির পুত্র সোহেল রানাকে ৩৬ বোতল ফেনসিডিল বহনের দায়ে আটক করে মামলা দেয়। যা সম্পুর্ন মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদীত। গত ১০ এপ্রিল দুপুরে রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আটককৃত শামিমের স্ত্রী কাজল রেখা এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলা হয়, শামিম গত ৯ এপ্রিল সারাদিন জমিতে কাজ করার পর সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরেন। এরপর খাওয়া দাওয়া শেষে তার মেয়েকে নিয়ে বিদিরপুর মোড়ে চা খেতে যান। সেখানে বিডিআর সদস্য খলিল তার সাথে কথা বলার অজুহাত দেখিয়ে শামিমকে ডাকেন। কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়েই আরো কয়েকজন বিডিআর সদস্য তাকে ঘিরে ফেলে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যান। এ সময় একইভাবে সোহেল রানাকেও আটক করে। ওই দিন রাতেই গোদাগাড়ী থানায় ৩৬ বোতল ফেন্সিডিল বহনের দায়ে শামিম ও সোহেলের বিরুদ্ধে বিডিআর’র পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়।

এদিকে, শামিমের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি দু’বছর আগে বিদিরপুর ঘাটে দিনমজুরের কাজ করতেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করছেন। তিনি কোনোরকমের চোরাকারবারি ও অপরাধের সাথে জড়িত নন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শামিমের পিতা আব্দুস সামাদ, মা আনোয়ার, সোহেলের পিতা আব্দুল বাকি, শ্বশুর সাইফুদ্দিন, শ্বাশুড়ি সারেজানসহ এলাকাবাসি আল্লাম, বাবু, রুহুল, রুবেল ও বাবুল।

পাতাটি ২৫৯ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন