logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo গ্রিনহাউজ নিয়ে মতানৈক্য নিরসনের চেষ্টা জলবায়ু সম্মেলনে
ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন কমানো নিয়ে ধনী ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতানৈক্য নিরসনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পরিবেশ মন্ত্রীরা।

গ্রিনহাউজ গ্যাস নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি সম্মেলনে যোগ দেওয়া দেশগুলো। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে দেখা দিয়েছে মতানৈক্য।

জাতিসংঘ জলবায়ু সচিবালয়ের প্রধান ইভো ডি বোয়ার চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেছেন, সব দেশই আলোচনায় বেশিমাত্রায় গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রস্তাব করে বলেই তিনি আশা করেন।

গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বেশি কিছু করার দাবি জানাচ্ছে চীন।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে চীনকে বেশিকিছু করার দাবি জানাচ্ছে। বোয়ার বলেন, আগামী দিনগুলোতে প্রত্যেকেই প্রত্যেককে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে বেশিকিছু করার আহ্বান জনাবে বলে তিনি আশা করছেন।

ডিসেম্বরের ৭-১৮ জলবায়ু সম্মেলনে এক দিনের বিরতিতে পরিবেশ মন্ত্রীরা অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্মেলনের শেষ দিনে এতে যোগ দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ অন্যান্য বিশ্ব নেতারা।

ড্যানিশ মন্ত্রী কনি হেডেগার্ড সাংবাদিকদের বলেন, "এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। অনেক অমীমাংসিত সমস্যা আছে। কিন্তু মন্ত্রীদের এখানে আসা শুরু হওয়াটাও রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতিফলন।"

সম্মেলনে ছোট ছোট দ্বীপদেশগুলোসহ আফ্রিকার দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের ক্ষতিকর প্রভাবের জন্য চীন ও ভারতকে দায়ী করেছে। অন্যদিকে, ভারত ও চীন এর তীব্র প্রতিবাদ করেছে।

চীন বলছে, বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য বিশ্বের ধনী দেশগুলো দায়ী। অথচ তারা এর সমাধানে যথাযথভাবে এগিয়ে আসছে না। প্রতিশ্র"তি ও কাজের মধ্যে বিস্তর ফারাকের অভিযোগ তুলেছে চীন।

অন্যদিকে, গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন কত মাত্রা কমানো হবে এবং কে অর্থ যোগাবে তা নিয়েও দেশগুলো বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে।

উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিযোগ, তারা অর্থের অভাবে উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে সঠিক পরিকল্পনা নিতে পারছে না। এজন্য তারা মোটা অঙ্কের তহবিল চেয়েছে। কিন্তু এখানেও ধনী দেশগুলোর সঙ্গে তাদের মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।

ধনী দেশগুলোর মতে অর্থ না থাকলেও শুধু সদিচ্ছা থাকলেও উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে লড়া যায়।

ভারতের পরিবেশমন্ত্রী জয়রাম রমেশ রোববার বলেন, "চুক্তি অবশ্যই সম্ভব। যদি আমাদের সবাই একে অপরকে বিশ্বাস করে এবং যদি আমাদের সাহস এবং দৃঢ় প্রত্যয় থাকে, তাহলে আমরা এখনও কোপেহেগেনে একটি সুষ্ঠু, সমতাপূর্ণ চুক্তিতে উপনীত হতে পারি।"

পাতাটি ৩৯৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন