logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo বিভিন্ন স্থানে তীব্র শীত, ঘন কুয়াশায় মানুষের দুর্ভোগ
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শীতবস্ত্রের দোকানগুলোয় ভিড় করছে মানুষ। আমাদের আঞ্চলিক কার্যালয় ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
পঞ্চগড়: জেলা প্রশাসক বনমালী ভৌমিক জানান, গত বৃহস্পতিবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় বাতি জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। জেলার হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ১০ হাজার কম্বল ও স্থানীয়ভাবে শীতবস্ত্র ক্রয়ের জন্য ১০ লাখ টাকা চেয়ে ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে জেলার অনেক আলুর ক্ষেতে লেটব্রাইটসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবুল হায়াত জানান, কৃষি বিভাগ এ বিষয়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছে।
রাজশাহী: রাত ১০টার পর থেকেই কুয়াশা ঘন হয়ে আসছে। বেলা ১২টার আগ পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না। এ সময় যানবাহন চলছে বাতি জ্বালিয়ে। দেরিতে সূর্য ওঠার কারণে দোকানপাট ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান দেরিতে খুলছে। গতকাল শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জে কয়েক দিন ধরে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। বিশেষ করে দিনমজুরেরা শৈত্যপ্রবাহের কারণে মাঠে কাজ করতে পারছে না। জনবহুল এলাকায় জনসমাগম কমে গেছে। বিভিন্ন হাটবাজার ও শহরের ফুটপাটে শীতবস্ত্র বিক্রয় বেড়ে গেছে।
ফরিদপুর: ফরিদপুরে শহরবাসী বৃহস্পতিবার সূর্যের দেখা পায়নি। ওই দিন জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফরিদপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া কার্যালয়ের সহকারী এস এম সুরজুল আমীন জানান, উত্তরাঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলেও ফরিদপুরে তেমন নেই। তবে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
কুমারখালী (কুষ্টিয়া): ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে কুমারখালীর হাটবাজারে মানুষের উপস্থিতি কমে গেছে। বয়োবৃদ্ধ ও শিশুরা চরম কষ্টে দিনাতিপাত করছে। ঘন কুয়াশা আর মৃদু বাতাসের কারণে শীতের প্রকোপ অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পাতাটি ৩৭৯ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন