logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo রাজশাহী হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিল ৩৭ শিবির কর্মী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত সোমবার রাতে জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় অংশ নিয়েছিল সংগঠনের ৩৭ সন্ত্রাসী। তাদের নেতৃত্বে ছিল জাফর বাবু ও মোজাম্মেল। হামলায় অংশ নেয়া বেশ কয়েকজন শিবির ক্যাডার ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। সেই রাতে পরিকল্পনা অনুযায়ী হামলা চালায় শিবির সন্ত্রাসীরা। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা নীরবতা থাকায় সহজেই হামলা চালাতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন ফারুক হত্যা মামলার কয়েকজন পলাতক আসামী।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. নওশের আলী গতকাল বলেছেন, পুলিশের ব্যর্থতার জন্য দায়ীদের বরখাসত্ম করা হয়েছে। যদি আর কারো নাম আসে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিবিরের সন্ত্রাসীরা জানিয়েছে, সোমবার রাতে ক্যাম্পাসে ঢোকার আগে পুরো রাত ধরে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল। বহিরাগতদের নেতৃত্ব দেওয়া জাফর বাবু ও মোজাম্মেল এজন্য সন্ত্রাসীদের কড়া নির্দেশও দিয়েছিলেন। জাফর বাবু ও মোজাম্মেলের সঙ্গে সে রাতে আরো যারা অংশ নিয়েছিল তাদের মধ্যে আছে, বুধপাড়া এলাকার খুশি, সালাম, শানত্ম, বাবলু, নাসির, সাদেক, শামীম ও রাজু, ডাশমারী এলাকার তোফাজ্জল হোসেন তোফা ওরফে বোমা তোফা, তুহিন, মাইনুল ও শামীম, মেহেরচন্ডী এলাকার মিলন, শাহীন, মাসুদ ও আল আমিন, চকপাড়া এলাকার রবিউল ও ভোলা, খড়খড়ির রাসেল, তোহা, জোহা, হামিম ও রানা, চকেরবিল এলাকার নুরুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম, নারিকেল বাড়িয়া এলাকার মুজাহিদ ও সেলিম, কড়ইতলা এলাকার, আরিফ, শরিফ, শুকুর ও খোরশেদ এবং বিনোদপুর এলাকার রবি, শাহীন ওরফে টাকুয়া শাহীন, রউফ ও আলতাফ। তারা এখন রাজশাহী ও তার আশপাশের এলাকাগুলোতে পালিয়ে আছে। এছাড়া আরো বেশ কিছু শিবির সন্ত্রাসী রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পরিচয়ে অবস্থান করছে।


তথ্য সংগ্রহঃ আমাদের সময়

পাতাটি ২৮৯ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন