logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo রাজশাহীতে ছাত্র হত্যার দায় সরকারের ওপর চাপাল জামায়াত
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন নেতাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে এবং রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমিরকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোডে মিছিল কর্মসূচি পালন করে জামায়াত ও ছাত্রশিবির।
তবে জামায়াত বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছিল বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে। জুমার নামাজের আগে থেকেই ওই এলাকায় প্রচুর পুলিশ জলকামান ও আর্মার্ড কার নিয়ে অবস্থান নেয়। পরে জামায়াত-শিবিরের একটি মিছিল বিজয়নগর পানির ট্যাংকির মোড় থেকে বক্স কালভার্ট রোড ধরে মিছিল করে ফকিরাপুল পানির ট্যাংকির মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য আবদুল হালিম, নূরুল ইসলাম বুলবুল ছাড়া কেন্দ্রীয় কোনো নেতাকে দেখা যায়নি। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের একটি বড় অংশই ছিল ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মী। তারা সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেয়। তাদের নানা স্লোগানের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মী মৃত্যুর বিষয়টিতে প্রধানমন্ত্রীকে দায়ী করে দেওয়া স্লোগানটি ছিল অন্যতম।
মিছিল শেষে রফিকুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, ‘গত সোমবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবির নেতা শাহীনকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে। গত বুধবার চট্টগ্রামে মোহায়মেন নামের আরেক শিবির কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে (প্রকৃতপক্ষে হত্যা হয়েছে মহিউদ্দিন নামে এক ছাত্র)। এসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে। যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হত্যার নির্দেশ দেয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তাঁদের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। আমরা তাঁদের পদত্যাগ দাবি করছি।’ তিনি আরও বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার পর যেসব শিবির নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এরপর নেতা-কর্মীদের সুশৃঙ্খলভাবে যার যার অবস্থানে চলে যেতে নির্দেশ দেন রফিকুল ইসলাম খান।
এ সময় বিজয়নগর ও বায়তুল মোকাররমের সামনে অবস্থানরত পুলিশের তিনটি দল বক্স কালভার্ট রোড, ফকিরাপুল মোড় ও দৈনিক বাংলা মোড় থেকে মিছিলকারীদের ধাওয়া দেয়। ফকিরাপুল পানির ট্যাংকি মোড়ে কয়েকজনকে লাঠিপেটাও করে পুলিশ। পুলিশের জলকামান থেকে মিছিলকারীদের লক্ষ্য করে গরম পানিও ছোড়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে ওবায়দুল্লাহ, জয়নাল আবেদীন, শাহজাহান, মান্নান ও শাহাবুদ্দিন নামের পাঁচজনকে আটকও করে পুলিশ।
ধাওয়া খেয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা পাশের গলি দিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ তাদের কিছু দূর পর্যন্ত ধাওয়া করে। এ সময় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কিছুক্ষণ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে তারা পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে আসে।

পাতাটি ৩০৫ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন