logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo রাজশাহীর জিরোপয়েন্ট থেকে গৌরহাঙ্গা সড়ক নির্মাণ বন্ধ
বাঁকা না সোজা এমন প্রশ্নে থমকে আছে বহু প্রতিড়্গিত রাজশাহীর অতিগুরম্নত্বপূর্ণ সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট থেকে গৌরহাঙ্গা সড়ক নির্মাণ কাজ। এই নিয়ে রাজশাহীবাসীর মধ্যে ড়্গোভের সঞ্চার হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে রাজপথে মিছিল, স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ দিন থেকে এই প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন থাকলেও কতিপয় ব্যক্তির স্বার্থ রড়্গায় এই সড়কটি সরলীকরণ বা সোজা করে নির্মাণ কাজ শুরম্ন করা হয়নি। এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বরাবরও আবেদন করা হয়েছে।

১৯৮৬ সালে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপড়্গ মহানগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট থেকে গৌরহাঙ্গা রাসত্মাটি সরলীকরণ প্রকল্প গ্রহণ করে। ১৯৯৬-২০০১ সালে এই ব্যাপারে প্রসত্মাবনা তৈরি করে। ঐ সময় রাসত্মাটি অনুমোদনও হয়। কিন্তু বিএনপি সরকার ড়্গমতায় এসে প্রকল্প বাসত্মবায়ন বন্ধ করে নতুন করে নকশা প্রণয়ন করে। এই নকশা বাসত্মবায়িত হলে রাসত্মাটি আঁকা বাঁকা এবং যেই উদ্দেশ্য নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছিল তা পূরণ হবে না। অভিযোগ উঠেছে, কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তির ভবন রড়্গার কারণে এর নকশায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে সড়কটি সোজা না হয়ে প্রসসত্ম হলেও বাঁকা হচ্ছে।

এই ব্যাপারে সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট-গৌরহাঙ্গা রাসত্মা সরলীকরণ বাসত্মবায়ন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার তাজুল ইসলাম জানান, রাজশাহীর প্রাণকেন্দ্র সাহেব বাজারের সঙ্গে বিমানবন্দর সড়কটি অতি সরম্ন ও আঁকাবাঁকা। তাই সরম্ন ও বাঁকা রাসত্মা বাদ দিয়ে নতুনভাবে প্রশসত্ম ও সরল রাসত্মা নির্মাণের প্রসত্মাব গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপড়্গ কর্তৃক বর্তমান প্রসত্মাবিত সকড়টি বাঁকাই থেকে যাচ্ছে। এতে রাজশাহী মহানগরবাসীর ভোগানিত্ম আরো বেড়ে যাবে। শহরের একমাত্র গুরম্নত্বপূর্ণ এই সড়কজুড়ে যানজট ও দুর্ঘটনা লেগেই থাকবে। তিনি রাজশাহীর উন্নয়নে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা করে সড়ক প্রকল্প বাসত্মবায়ন ও ড়্গতিগ্রসত্ম দোকান ও বাড়ির মালিকদের ন্যায্য ড়্গতিপুরণের দাবি জানান।

নগরবাসীর দাবিরমুখে সরকার ১৯৯৯ সালে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপড়্গকে (আরডিএ) প্রাথমিকভাবে ২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। এর মধ্যে কাগজে কলমে বেশ কিছু অগ্রগতি ঘটে। কথা ছিল ২০০৬ সালের মধ্যে রাসত্মাটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে। কিন্তু প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে বলে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপড়্গ রাসত্মাটির কাজ এখনও শুরম্ন করতে পারেনি বলে দাবি করা হয়েছে।

আরডিএ কর্তৃপড়্গ জানায়, নকশা অনুযায়ী কাজ হবে। এখানে কারো স্বার্থের কথা বিবেচনা করা হবে না। ইতিমধ্যে সড়কটি নির্মাণের জন্য কাজ শুরম্ন হয়েছে। জমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। জেলা প্রশাসনের অনুকূলে পনের কোটি জমা দেয়া হয়েছে। জমি অধিগ্রহণ বিভাগ আইনী প্রক্রিয়া শেষ করেছে। ড়্গতিগ্রচ্চদের তিন দফা নোটিশও দেয়া হয়েছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এর কাজ উদ্ধোধন করা হবে।

পাতাটি ২৯২ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন