logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহাশ্মশান রক্ষার দাবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার তর্তিপুর মহাশ্মশান ভূমিদস্যুদের কবল থেকে রক্ষার দাবিতে গতকাল বুধবার জেলা সদরে মানববন্ধন, সমাবেশ ও স্মারকলিপি দিয়েছে কয়েক হাজার হিন্দু নারী-পুরুষ। স্মারকলিপিতে গত ১৭ নভেম্বর মৃতদেহ সত্কারে আসা লোকজনের ওপর ভূমিদস্যুদের সশস্ত্র হামলার বিচার এবং জেলার বিভিন্ন স্থানে দেবোত্তর সম্পত্তি ও শ্মশানের জমিও উদ্ধারের দাবি জানানো হয়।
সকাল ১০টা থেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিন্দু নারী-পুরুষেরা পৌরপার্কে জড়ো হতে থাকে। দুপুর ১২টায় বিশাল মিছিল নিয়ে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এসে মানববন্ধনে অংশ নেয়। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করে। এতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি মোহিত কুমার দা, নাচোল শাখার সভাপতি মনোরঞ্জন সরকার, তর্তিপুর মহাশ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমল ত্রিবেদী প্রমুখ। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শ্মশান কমিটির সভাপতি সাধান কুমার মনিগ্রাম।
বক্তারা বলেন, শবদেহ সমাধিস্থ বা দাহ করাসহ ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া যাবে না মর্মে আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও স্থানীয় ভূমিদস্যুরা বারবার শবদেহ সত্কারে বাধা ও সত্কারে আসা লোকজনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। গত ১৭ নভেম্বর মঙ্গল কর্মকার নামের সদর উপজেলার রেহাইচর গ্রামের এক ব্যক্তির মৃতদেহ সত্কারে গিয়ে হামলার শিকার হয় তাঁর আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামের লোকজন। শেষে পুলিশের সহায়তায় সত্কার সম্পন্ন হয়।
শিবগঞ্জের মহাশ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমল কুমার ত্রিবেদী জানান, ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পাগলা নদীর তীরের তর্তিপুর শ্মশানঘাট হিসেবে ব্যবহূত হয়ে আসছে। সিএস ও এসএ জরিপে এটি সরকারি খাস সম্পত্তি হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। কিন্তু আরএস জরিমে ভূমি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী লিয়াকত আলীর নামে রেকর্ড হয়। তবে স্থানীয় সৈমুদ্দিন ও আব্দুল মজিদ এবং তাঁদের লোকজন ১৯৪২ সালে জমিদারের কাছে পত্তনি নেওয়ার কথা বলে জবর-দখলের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে শ্মশানের ১৮ বিঘা জমি।

পাতাটি ৩৫০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন