logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo এজন্য একাত্তরে দেশকে স্বাধীন করিনি : কাদের সিদ্দিকী
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ভূমিকম্পের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে নেপালের জনগণের পাশে দাঁড়ালেও সাগরে ভেসে থাকা নাগরিকদের প্রতি সরকারের নির্লিপ্ততা দেখে মনে হয় যে ওরা এদেশের নাগরিক নয়। ঘরে ঘরে চাকরি দেয়ার কথা বলে ক্ষমতায় এসে এখন সরকার চার বছরের মধ্যে দারিদ্রমুক্ত করার কথা বলছে অথচ চাকরির জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলার দিয়ে সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে।

শান্তির দাবি নিয়ে অবস্থান কর্মসূচির ১১৩ তম দিনে নারয়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর হাটখোলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার সাথে সংহতি প্রকাশ করতে আসা বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিদের সাথে আলাপকালে বঙ্গবীর একথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, আজ রাষ্ট্রীয় পরিচয়হীন বার্মার রোহিঙ্গাদের সাথে স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষদের একই কাতারে বিবেচনা করছে সারা বিশ্ব। এমন পরিচয়ের জন্য এত রক্ত, এত ত্যাগ স্বীকার করে একাত্তরে দেশকে স্বাধীন করিনি।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, এর আগেও দেখেছি লঞ্চ দুর্ঘটনায়, রানা প্লাজা ধ্বসে, তাজরিন গার্মেন্টসের আগুনে গরীব মানুষের সন্তানদের জীবন যায়। ওরা কোনো মন্ত্রী-এমপি-নেতার সন্তান নয় বলে সরকার তেমন গা করে না।

তিনি বলেন, কোনো একটা গ্রামে দুজন মাতবরের মধ্যে মিল না থাকলে গ্রামের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে না। আর একটা দেশের বিরাট দুই নেত্রীর মধ্যে ঝগড়া চললে দেশে কোনো দিনই শান্তি আসতে পারে না।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, কেন্দ্রীয় নেতা ফরিদ আহমেদ, আবুল হোসেন, মাহবুবুর রহমান পারভেজ, যুব আন্দোলনের আহবায়ক হাবিবুন নবী সোহেল, রাসেল আহমেদ ডালিম, সাইফুল ইসলাম, শাকিল আহমেদসহ নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তার সাথে এসময় অবস্থান করছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীকে সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিএনপির নেত্রীকে অবরোধ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম এ বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত মতিঝিলের ফুটপাতে অবস্থান করার পর সারাদেশে এই কর্মসূচি শুরু করেছেন। গত শুক্রবার থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছেন।

পাতাটি ২৪০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন