logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo লিটন-বুলবুলের প্রচারণা শুরু
নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার পর থেকেই রাজশাহী জুড়ে শুরু হয়েছিল নির্বাচনী আমেজ। আর প্রতীক বরাদ্দের পর এ আমেজে যোগ হয়েছে ভিন্নমাত্রা। সব মিলিয়ে রাজশাহী মহানগরী এখন নির্বাচনী আমেজে সরগরম হয়ে উঠেছে। গতকাল সোমবার হযরত শাহ মখদুম (রা:) এর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ভোট যুদ্ধে নেমেছেন দুই হেভিওয়েট প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। এদিকে প্রতীক বরাদ্দের পরপরই নগরী জুড়ে মাইকে প্রচারণা শুরু হয়। সেইসাথে বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় টাঙ্গানো হয় প্রার্থীদের প্রতীক সম্বলিত পোস্টার।
গতকাল সোমবার সকালেই রাজশাহী নগরীতে নির্বাচনী আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। সকাল থেকে নেতাকর্মীদের ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়। সকাল সাড়ে ৮টায় হযরত শাহ মখদুম (রা:) মাজারে যান মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। সেখানে গিয়ে তিনি মাজার জিয়ারত করার পরে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন। পরে মোনাজাত শেষে মাজারের আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ করেন। এসময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনুসহ সম্মিলিত নাগরিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ তার সাথে উপসি’ত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেছেন। এরপর সকাল সাড়ে ১১টায় মাজারে যান মেয়র প্রার্থী ও সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জা-মান লিটন। তিনি মাজার জিয়ারত শেষে সেখানে উপসি’ত সাংবাদিক-দের সাথে কথা বলেন। এ সময় সংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গতবারের মতো এবারেও তিনি আশাবাদী। নিজের তালা প্রতীক বিষয়ে তিনি জানান, গতবারও সাধারণ ভোটররা এ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে জয়ী করেছিলেন। তালা প্রতীক হচ্ছে সমাজে দুর্নীতিবাজদের রুখে দেয়ার প্রতীক। এসময় তিনি নগরীর উন্নয়-নের বিষয়গুলো তুলে ধরে বলেন, আজ নগরবাসী বুঝতে পেরেছেন যে গত ৫ বছর আগে নগরবাসী যে সিদ্ধান- নিয়েছিলন তা ভুল ছিল না। আগামীতেও এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। এরপর লিটন তার বাবা জাতীয় নেতা শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের মাজার জিয়ারত করেন। এদিকে সকাল থেকে দুই প্রার্থীর নেতাকর্মীরা মহানগর জুড়ে বিপুল উৎসাহ নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন। দুপুরের পরপরেই নগরীর অনেকস’ানেই প্রার্থীদের পোস্টারে ছেয়ে যায়।
ভোটের প্রচার নিয়ে মেয়র প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও নাগরীক কমিটির সদস্য সচিব অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা সাংবাদিকদের জানান, প্রচারণার প্রথম দিন থেকেই সাধারণ মানুষের সাড়া মিলছে। তরুণ ভোটা-ররা স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে বেছে নিয়েছে। এছাড়া তরুণ প্রজন্ম আধুনিকতায় বিশ্বাসী, তথ্য প্রযুক্তিতে আস’াবান একজন মেয়রের পক্ষ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধাপরধীদের বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস-বায়নের পথে থাকা সরকারকে অবশ্যয় সমর্থন করবে যুব সমাজ। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে রায় দেবে এ প্রজন্ম। কারণ বিএনপি-জামায়া-তের প্রার্থীকে ভোট দেয়া মানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধেভোট দেয়া।
অপর প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ১৮ দলের সাংবাদিক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, রাজশাহী মহানগরী বিএনপি ঘাটি হিসেবে পরিচিত। একারণে এখানে তাদের পাল্লাই বেশি ভারি। এছাড়াও মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নেয়াকে সরকার পতনের একধরনের আন্দোলন হিসেবে দেখছেন মেয়র প্রার্থী বুলবুল। দুই দলের সমর্থন পুষ্ট মেয়র প্রার্থী ছাড়াও স্বতন্ত্র থেকে হাবিবুর রহমান মেয়র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তিনি চশমা প্রতীক পেয়েছেন। তবে নগরীর কোথাও তার কোন প্রচারণা দেখা যায়নি।

পাতাটি ২৫০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন