logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo জনমত সৃষ্টিতে মাসব্যাপী কর্মসূচি খালেদার
নির্দলীয় সরকারের দাবিতে জনমত গঠনের লক্ষ্যে দিনাজপুর, বরিশাল, হবিগঞ্জ ও রাজবাড়ীতে জনসভা করবেন খালেদা জিয়া। এছাড়া পেশাজীবী ও ১১ জেলার দলীয় নেতাদের নিয়ে ঢাকায় মতবিনিময় করবেন তিনি।


শুক্রবার নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বিরোধী দলীয় নেতার মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

শনিবার থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়ে ৯ অক্টোবর শেষ হবে বলে জানান তিনি।

এই কর্মসূচি অনুযায়ী খালেদা জিয়া ২০ সেপ্টেম্বর দিনাজপুর, ২৯ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ী, ৬ অক্টোবর হবিগঞ্জ এবং ৯ অক্টোবর বরিশালে যাবেন।

এছাড়া শনিবার থেকে পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করবেন তিনি। গুলশানের কার্যালয়ে রাত ৮টায় এই মতবিনিময় সভা হবে।

৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ১০ সেপ্টেম্বর প্রকৌশলী, ১২ সেপ্টেম্বর চিকিৎসক, ১৫ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক-লেখক-সাহিত্যিক, ১৭ সেপ্টেম্বর কৃষিবিদ, ১৮ সেপ্টেম্বর ডিপ্লোমা কৃষিবিদ, ২২ সেপ্টেম্বর ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ও মেডিকেল অ্যাসিসটেন্ট এবং ২৪ সেপ্টেম্বর আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বিরোধী দলীয় নেতা।

এছাড়া ৯ সেপ্টেম্বর গাজীপুর, ১১ সেপ্টেম্বর মুন্সিগঞ্জ, ১৩ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল, ১৬ সেপ্টেম্বর জামালপুর, ২৩ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা উত্তর ও দক্ষিণ, ২৬ সেপ্টেম্বর ব্রাক্ষণবাড়িয়া, ২৭ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জ, ১ অক্টোবর লালমনিরহাট, ২ অক্টোবর বগুড়া, ৩ অক্টোবর পাবনা ও ৪ অক্টোবরর ঠাকুরগাঁও জেলা নেতাদের সঙ্গে মতিবিনিময় করবেন খালেদা জিয়া।

শুক্রবার থেকে ১৮ দলীয় জোটের উদ্যোগে দেড় মাসের গণসংযোগ ও গণমিছিলের কর্মসূচিও শুরু হয়েছে। নির্দলীয় সরকারের দাবিতে জোট নেতারা ২৭টি দলে ভাগ হয়ে এই গণসংযোগ করবেন।

বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলা খারিজের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে রুহুল কবির রিজভী বলেন, “এ থেকে প্রমাণ হয়, সরকার আদালতসহ সব প্রতিষ্ঠানকে গ্রাস করে ফেলেছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

তিনি জানান, নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে শিগগরিই উচ্চ আদালতে অপিল করা হবে।

গত বছরের ৬ জুলাই হরতাল চলাকালে সংসদ ভবন এলাকায় পুলিশের পিটুনির শিকার হন বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ। ওই ঘটনায় গত বছরের ১০ জুলাই সাংসদ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন মিজান আদালতে মামলা করেন। গত সাপ্তাহে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিলের পর আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়।

রিজভী অভিযোগ করেন, “প্রতিবেদনটি ছিল পক্ষপাতমূলক ও বানোয়াট। ওইদিনের ঘটনা মিডিয়ায় বিস্তারিতভাবে এসেছিল। অথচ প্রতিবেদনে মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়েছে, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।”

অন্যদের মধ্যে বিএনপির সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করীম শাহিন, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, মাহবুবুল হক নান্নু, রফিক শিকদার ও কাইয়ুম চৌধুরী সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।

পাতাটি ২৭৮ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন