logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo জলবায়ু চুক্তির বিরম্নদ্ধে বিশ্ববাসীর অসনেত্মাষ যৌক্তিক : ওবামা

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কোপেনহেগেন জলবায়ু চুক্তির বিরম্নদ্ধে বিশ্বব্যাপী অসনেত্মাষকে যৌক্তিক হিসাবে স্বীকার করলেও এ সম্মেলনের ফলাফলকে সমর্থন করছেন। তিনি বলেন, বিজ্ঞান আমাদেরকে আগামী ৪০ বছরের মধ্যে কার্বন নির্গমনের মাত্রা উলেস্নখযোগ্যভাবে হ্রাস করার তাগিদ দিচ্ছে। কিন্তু কোপেনহেগেন চুক্তিতে সে লড়্গ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

গত সপ্তাহে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে একটি অবাধ্যমূলক চুক্তি স্বাড়্গরের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন শেষ হয়। এ চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মুখ রড়্গার একটি চুক্তি হিসাবে বিবেচনা করেছে। চলতি সপ্তাহে ইইউ’র বৈঠকে এ মতামত ব্যক্ত করা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোপেনহেগেন চুক্তিকে একটি বিপর্যয় হিসাবেও আখ্যায়িত করেছে এবং চীন ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের বৃহত্তম জলবায়ু দূষণকারী দেশ হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

প্রেসিডেন্ট ওবামার মধ্যস্থতায় স্বাড়্গরিত কোপেনহেগেন চুক্তি বিশ্বের উষ্ণায়ন হ্রাসে খুব সামান্য প্রভাব রাখতে সড়্গম হবে। এ বাসত্মবতা সত্ত্বেও তার উপদেষ্টারা এ চুক্তিকে একটি বিরাট অগ্রগতি হিসাবে আখ্যায়িত করছেন। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ওবামা নিজে এ চুক্তিকে অগ্রগতি বলে মনে করছেন না। তিনি কোপেনহেগেন চুক্তিকে মন্দের ভালো হিসাবে দেখছেন। তিনি বলেছেন, কোপেনহেগেন সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ার দ্বারপ্রানেত্ম পৌঁছে গিয়েছিল। তারপরই তিনি উদ্যোগ নেন। শেষ মুহূর্তে তিনি এ উদ্যোগ গ্রহণ করায় কোপেনহেগেন সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ার হাত থেকে রড়্গা পায়। গত বুধবার পিবিএস টেলিভিশনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমরা যতটুকু প্রত্যাশা করেছিলাম, কোপেনহেগেন চুক্তি সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। সম্মেলন পুরোপুরি ভেঙ্গে যাবার উপক্রম হয়েছিল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনস্থল ত্যাগ করে বিমান বন্দর অভিমুখে ছিলেন। চীনা প্রতিনিধি দলও আলোচনা পরিত্যাগ করছিল। সবাই হুলুস্থূল করছিল। তবে শেষ পর্যনত্ম ঠাণ্ডা মাথা বিজয়ী হয়। আমরা শেষ মুহূর্তে অবাধ্যতামূলক একটি চুক্তিতে উপনীত হতে সড়্গম হই। আমি মনে করি কোপেনহেগেন সম্মেলনের ফলাফল সম্পর্কে বিশ্ববাসীর হতাশা যুক্তিসঙ্গত।

এদিকে ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ গতকাল বৃহস্পতিবার বড়দিনের এক বাণীতে পরিবেশ দূষণের মতো আনত্মর্জাতিক সমস্যা সমাধানে নেতৃত্বের আসন গ্রহণে ৫৪-জাতি কমনওয়েলথের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গত মাসে টোবাগো ও ত্রিনিদাদে কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে পরিবেশ দূষণ ছিল অন্যতম আলোচনার বসত্মু। এ আলোচনার প্রেড়্গিতে কমনওয়েলথ প্রধান রাণী এলিজাবেথ এ আহ্বান জানিয়েছেন।

পাতাটি ৩৬৬ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন