logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo পদক প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তারা মাদার বখ্‌শ ছিলেন উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলৰে আলোচনা সভা ও ভাষাসৈনিক মাদার বখশ স্মৃতি পদক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় গতকাল শনিবার বিকেলে। রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সম্মেলন কৰে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নন্দন সাহিত্য একাডেমী। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপসি’ত ছিলেন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়র্বজ্জামান লিটন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপসি’ত থেকে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যৰ ডা: সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী মহিলা কলেজের অধ্যৰ প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান সরকার, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল হান্নান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক রোজেটি নাজনীন, ভাষা সৈনিক মোশাররফ হোসেন আখুঞ্জি, কবি ও সাহিত্যিক আরিফুল হক কুমার, রা:বি:’র প্রাক্তন মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিৰক ড. শওকত আরা, মাদার বখ্‌শের নাতি কাজী হামিদ সালেহ, অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক মো: সাদর্বল ইসলাম, নন্দন সাহিত্য একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শেখ সাইদুর রহমান।
সভায় বক্তারা বলেন, মাদার বখ্‌শ ছিলেন, রাজশাহীর একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত। তিনি শিল্প-সাহিত্য, শিৰা, রাজনীতি ও মানবসেবার দিক থেকে একটি চৌকস ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন, একজন আপোসহীন ব্যক্তিত্ব। তিনি নীতির কাজে কারো কাছে কোন দিন নতি স্বীকার করেননি। তারা বলেন, ভারত যখন দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভাগ হয় তখন পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী মনে করতো পাকিস্তান হচ্ছে মুসলমানদের দেশ। আর উর্দু হচ্ছে মুসলমানদের ভাষা। তাই কায়দে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করলে বাঙালি-বাংলাভাষার জন্য আন্দোলন শুর্ব করেন। ঠিক ওই সময় মাদার বখ্‌শ ছিলেন, জাতীয় পরিষদের সদস্য। তিনিও ঘোষণা দিয়েছিলেন বাংলা-ভাষা হবে বাঙালিদের রাষ্ট্রভাষা। যদি এ দাবি মানা না হয় তাহলে তিনি জাতীয় পরিষদের পদ থেকে পদত্যাগের হুমকি প্রদান করেন। তিনি বাংলা আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেন। বক্তারা রাজশাহীর শিৰাকে আরও বিকশিত ও উন্নতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে রাজশাহীতে বিশ্ববি-দ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি করেন। তাই মাদার বখ্‌শের মত দেশপ্রেমিক হয়ে দেশ সেবায় আত্ম নিয়োগ করার আহবান জানান। এতে সভাপতিত্ব করেন, ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন।
সভায় রাজশাহীর ২১ জন গুণিব্যক্তিকে কীর্তির স্বীকৃতি স্বরূপ পদক প্রদান করা হয়। যারা মাদার বখ্‌শ পদক পেলেন তারা হলেন, মো: আবুল হোসেন (ভাষা), আব্দুল মালেক চৌধুরী (মুক্তিযোদ্ধা), মো: সোলায়মান (মুক্তিযোদ্ধা), আব্দুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা), ড: তসিকুল ইসলাম রাজা (সাহিত্য), মো: বিলায়েত হোসেন (সংগীত), রাশেদুল হাসান খান (শিৰাবিস্তার), হাফেজ মো: রশিদ আলম (শিৰানুরাগী), কল্পনা সাহা (ব্যাংকিং), সুলতান মাহমুদ অ্যাপোল (বীমা সংগঠক), মো: আব্দুর রাজ্জাক (গম্ভীরা), মো: সাদর্বল ইসলাম ইসলাম (আদিবাসী শিৰা), মো: মোয়াজ্জেম হোসেন বাবলু (সমাজসেবা), বেলী বেগম (নারী উদ্যোক্তা), আবু সালেহ মো: ফাত্তা (কৃষি সাংবাদিকতা), প্রফেসর জাফর ইকবাল (শিৰা), মো: আলমগীর হোসেন (সমাজসেবা), মো: ওবায়দুর রহমান (বীমা), প্রফেসর ড. মো: আব্দুল মান্নান সরকার (শিৰা) ও কবি আরিফুল হক কুমার (কবিতা), মো: আব্দুল মোতালেব মানিক, গাজী মোহাম্মদ সুলতান আলীকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে পদক প্রদান করা হয়।

পাতাটি ২৫৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন