logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo রাজশাহী বিভাগীয় আদিবাসী নারী কনভেনশন অনুষ্ঠিত
আদিবাসী নারী সমাজের মুক্তির জন্য ১১ দফা রাজশাহী ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিভাগীয় আদিবাসী নারী কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারে এ কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম বিভাগীয় আদিবাসী নারী কনভেনশনে খ্রীস্টিনা বিশ্বাসকে সভাপতি ও তেরেজা মার্ডিকে সাধারণ সম্পাদক করে রাজশাহী জেলা আদিবাসী নারী পরিষদের কমিটি গঠন করা হয়। ২১ সদস্যের কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহসভাপতি সুমিলা টুডু, সাংগঠনিক সম্পাদক লিপি টুডু, সহসাধারণ সম্পাদক সেলিনা টুডু এবং কোষাধ্যক্ষ কাতারিনা কিস্কু। পরবর্তীতে কমিটির অন্য সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে বলে কনভেনশনে জানানো হয়।

এর আগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী মহানগর নারী মুক্তি সংসদের আহ্বায়ক অধ্যাপক তাসলিমা খাতুন। আদিবাসী নারী পরিষদের আহ্বায়ক খ্রীস্টিনা বিশ্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন রাজশাহী জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কল্পনা রায়, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি অনিল মারান্ডী, সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ সরেন, রাজশাহী জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ প্রামাণিক দেবু, আদিবাসী নারী নেত্রী সুমিলা টুডু, শৈল্যরাণী মাহাতো, বাসন্তী উরাও, বিচিত্রা তির্কি, রাইমনি কুজুর প্রমুখ।

কনভেনশনে বক্তারা বলেন, শুধু আদিবাসী বলে নয়, পৃথিবীর সব জায়গায় নারীদের সমস্যা এক। তারা বিভিন্নভাবে সমাজে বঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। নিজেদের অধিকার আদায় করতে গেলে আগে জানতে হবে কোথায় আদিবাসী নারীদের কোন অধিকার খর্ব হচ্ছে। নিজের অধিকার ও পাওনা বুঝে নিতে গেলে সংগ্রাম করে রক্ত ঝরিয়ে আদায় করতে হয়। সমাজে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে গেলে নারীর পাশাপাশি পুরুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

কনভেনশনে আদিবাসী নারীর ওপর সব নিপীড়ন ও অত্যাচার বন্ধ, আদিবাসী নারীর পূর্ণ মানবাধিকার নিশ্চিত, আদিবাসী নারীর শ্রমের স্বীকৃতি, আদিবাসী নারী নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, আদিবাসী নারীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অধিকারকে অগ্রাধিকার বিবেচনাসহ ১১ দফা রাজশাহী ঘোষণা করা হয়।

পাতাটি ২৬৯ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন