logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo আশায় বুক বাঁধছে জয়পুরহাট : প্রধানমন্ত্রী আসছেন ২২ জানুয়ারি
আগামী ২২ জানুয়ারি জয়পুরহাট আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন প্রধানমন্ত্রী জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সসহ বেশকিছু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এরমধ্যে রয়েছে একটি ইনস্টিটিউটও। সারাদেশের খনিজ সম্পদকে শিল্প-কারখানায় কীভাবে কাজে লাগানো যায়- তা নিয়েই উচ্চতর গবেষণা হবে এই ইনস্টিটিউটে। খনিজ সম্পদ বিষয়ক উচ্চতর গবেষণা বিষয়ক দেশের একমাত্র এই প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব মাইনিং মিনারেলজি অ্যান্ড মেটালার্জির দিকেই তাই এখন সবচে বেশি নজর জয়পুরহাটবাসীর। এরসঙ্গে তারা যানজট নিরসন, বাইপাস সড়কসহ সম্প্রসারিত রাস্তাঘাট নির্মাণের প্রত্যাশা নিয়েও এখন প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষা করছেন।

এই সফর নিয়ে জয়পুরহাটের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। কারণ, সীমান্তঘেষা এই জেলায় দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর পর কোনো সরকার প্রধানের এটিই হবে প্রথম সফর। আর শেখ হাসিনা আসছেন দীর্ঘ ১৮ বছর পর। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে তাই দেখা দিয়ে প্রাণচাঞ্চল্য। চলছে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে নানা আয়োজন, প্রস্তুতি।

ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ছবিসহ বিশাল বিশাল বিলবোর্ড আর পোস্টারে ছেয়েছে শহর। সফর সফল করতে চলছে পুরোদমে প্রচার প্রচারণা, মাইকিং। জয়পুরহাট জেলা স্টেডিয়ামে শেখ হাসিনার জনসভা সফল করতে শহরে প্রতিদিনই বের হচ্ছে আনন্দ মিছিল, শোভাযাত্রা। চলছে সড়ক সংস্কারসহ শহরকে নতুন করে সাজানোর কাজ।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারাও জয়পুরহাটে এসে সভা সমাবেশ শুরু করেছেন। গত শনিবার সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হানিফ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন, কেন্দ্রীয় আ’লীগের সদস্য মজিবুর রহমান মজনু, বেগম আক্তার জাহান, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক এসএম সোলায়মান আলী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সফল করতে নেতাকর্মীদের দিক নির্দেশনাও দেন। তারাও গণসংযোগ শুরু করছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জয়পুরহাটে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ইনস্টিটিউট অব মাইনিং মিনারেলজি অ্যান্ড মেটালার্জি উদ্বোধন করবেন। গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল গোফ্ফার জানান, শহরের মাছুয়া বাজারে সোয়া আট শতক জমির ওপর দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জয়পুরহাট সদর উপজেলা কমান্ডের সহকারী কমান্ডার (প্রচার ও দফতর) আহম্মেদ আলী জানান, এ কমপ্লেক্সে মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক গবেষণাগার, লাইব্রেরি ও জাদুঘর থাকবে। বিসিএসআইআর’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা আল মামুন সুব্রত জানান, পেট্রোবাংলা তাদের কিছু অবকাঠামোগত ভবন ও ইনস্টিটিউট অব মাইনিং মিনারেলজি অ্যান্ড মেটালার্জি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

জয়পুরহাট যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপ-পরিচালক তোছাদ্দেক হোসেন জানান, জয়পুরহাট শহরতলীর হানাইল মৌজায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেরও ভিত্তি স্থাপন করা হবে ওইদিন। এছাড়া যানজট নিরসন, বাইপাস সড়কসহ সম্প্রসারিত রাস্তাঘাট নির্মাণের প্রত্যাশা এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে জয়পুরহাটবাসীর প্রত্যাশা।

পাতাটি ৩২৪ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন