logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে চালু করা যাচ্ছে না রাজশাহী ডায়াবেটিক হাসপাতাল
বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে চালু করা যাচ্ছে না রাজশাহী ডায়াবেটিক হাসপাতাল। ঢাকা বারডেমের অনুকরণে নির্মিত এটি চালু হলে এ অঞ্চলের রোগীরা পাবেন স্বল্প খরচে উন্নতমানের সেবা। জানা যায়, ১৯৮৩ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি কক্ষে ডায়াবেটিক ক্লিনিকের যাত্রা শুরু হয়। এর ৩ বছর পর ১৯৮৬ সালে ৭নং ওয়ার্ডে লক্ষ্মীপুর এলাকায় জনৈক হিন্দু জমিদার পটু বাবুর বাড়ীতে এর যাত্রা শুরু হয়। তৎকালীন ফাস্ট লেডি রওশন এরশাদ এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সময়ের ব্যবধানে পুরাতন ভবনের স্থলে স্থাপিত হয় নতুন বিল্ডিং। দিন দিন এর রোগী বৃদ্ধি হতে থাকলে জনসাধারণের কথা বিবেচনা করে এটি অন্যত্র স্থানান্তরের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় তৎকালীন জাতীয় সংসদ সদস্য ও মেয়র মিজানুর রহমান মিনু সংসদে বিল উত্থাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঝাউতলা মোড়ের কাছে অবস্থিত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জায়গাতে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট রাজশাহী ডায়াবেটিক হাসপাতাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২০০৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু। এটি ২০০৮ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও জটিলতার কারণে সম্ভব হয়ে উঠেনি। ২০১০ সালে তা সমাপ্ত হয়। নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ সমাপ্ত হলেই এর যাত্রা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এখানকার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মামুনুর রহমান জানান, বিদ্যুতের অভাবে হাসপাতালের কার্যক্রম পিছিয়ে পড়ছে তবুও প্রতিদিন প্রায় ৩’শ রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকেন। ইনডোরে ২০ জন রোগীর থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। নগরীর যে কোন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চেয়ে এখানে চিকিৎসা ব্যয় কম। এখানে অপারেশনের ওটি চার্য ধরা হয় ১০ হাজার টাকা অন্যস্থানে লাগে ১৪ হাজার টাকা। তাছাড়াও প্যাথলোজির পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচও অনেক কম নেওয়া হয়। হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ডা. মামুনুর রশীদ জানান, বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দরখাস্ত করা হয়েছে। সহ-সভাপতি তারা বলেন, নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখানে শতকরা ১০ভাগ সোলার বিদ্যুৎ চালু থাকতে হবে। যার ব্যয় হবে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা। নতুন বিল্ডিং চালু হলে সেখানে আইসিইউ চালু হবে। আউটডোর, জরুরী বিভাগও চালু করা হবে। এখানে দন্ত বিভাগ, চক্ষু বিভাগ, হৃদরোগ বিভাগসহ কতিপয় জরুরী বিভাগ চালু করা হবে যা বারডেম হাসপাতালের সেবার মান রাজশাহীতে বসে পাওয়া যাবে এবং-এর খরচও হবে কম। প্রফেসর গোলাম আকবর জানান, এখানে দরিদ্রদের ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। এ যাবত প্রচুর দরিদ্ররা সুবিধা ভোগ করেছেন। তিনি আরো জানান ডায়াবেটিক চিকিৎসায় বারডেমের পর ফরিদপুর তারপর রাজশাহীর স্থান। নতুন বিল্ডিং চালু হলে-এর পরিসর ও সেবার মান আরো বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু সর্বপ্রথম এখানে দরকার বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপন করা। সূত্র:নতুন প্রভাত

পাতাটি ৩২৯ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন