logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo ফেয়ার প্রাইস ও চালের দর নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না
চালের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার ওএমএস, ফেয়ার প্রাইস ও কার্ডের মাধ্যমে চাল বিক্রি শুরু করলেও খুচরা বাজারে তেমন প্রভাব পড়ছে না। নিম্ন ও মধ্যবৃত্তদের ভিড় বাড়ছে ডিলারদের দোকানে।
রাজশাহীতে চালের দাম বৃদ্ধি শুরু হলে সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে খোলা বাজারে চাল বিক্রি শুরু করে ২ মাস আগে অর্থাৎ গত জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে। ডিলাররা ক্রেতাদের কাছে ২৪ টাকা কেজি হিসেবে চাল বিক্রি করতে থাকে। এরপরেও বাজারে প্রভাব না পড়লে ফেয়ার প্রাইস কার্ডের মাধ্যমে চাল-গম বিক্রি এবং ওএমএস ডিলার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। ইতিমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে ৪র্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারীদের ফেয়ার প্রাইস কার্ডের মাধ্যমে চাল দেয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে হত দরিদ্রদের কার্ডের মাধ্যমে চাল-গম দেয়ার প্রস’তি চলছে। চালের খুচরা বাজারে এসব কার্যক্রমের এখনও তেমন প্রভাব না পড়লেও শীঘ্রই দাম কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর লক্ষণ হিসেবে পাইকারী বাজারে চালের দাম নিম্নমুখী। নগরীর কুমারপাড়ার চালের আড়তদাররা বলছেন, বর্তমানে প্রতিবস্তা (৮৪ কেজি) গুটিস্বর্ণা ২৬শ’ টাকায়, আটাশ চাল ৩ হাজার ৭৫০ থেকে ৩৮শ’ টাকায়, মিনিকেট ৫০ কেজি ২৫শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ ১ সপ্তাহ আগেও এই চালগুলো বস্তায় ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশী দামে বিক্রি হয়েছে। পাইকারী বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। গতকাল প্রতি-কেজি মোটাচাল হাইব্রিড ৩১/৩২, গুটিস্বর্ণা ৩৪/৩৫, পারিজা ৪০, আটাশ চাল ৪৫ থেকে ৪৮, মিনিকেট ৫০ থেকে ৫৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বাজারে চালের দাম না কমায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা ওএমএস ডিলারের দোকানে ভিড় করছেন। মহানগরী, উপজেলা সদর ও পৌরসভা পর্যায়ে ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে চাল দেয়া হলেও ইউনিয়ন পর্যায়ে দেয়া হচ্ছে না। এতে ইউনিয়নের অনেক মানুষকে দেখা যাচ্ছে পৌরসভায় এসে ডিলারের কাছে চাল নিতে। ডিলারদের কাছে চাল নেবার জন্য মানুষ গভীর রাত থেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। অনেকে ব্যাগ রেখে লাইনে জায়গা নিচ্ছেন। লাইনে যে লোক থাকে তার প্রায় অর্ধেককে ফিরে যেতে হয় চাল না পেয়ে। এ পরিসি’তিতে ইউনিয়ন পর্যায়েও চাল দেয়া উচিত বলে মনে করেন অনেকে।
রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাফিজুর রহমান জানান, বর্তমানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে ২৫ জন ওএমএস ডিলার এবং ফেয়ার প্রাইস কার্ডের মাধ্যমে ১১২ জন ডিলার চাল-গম দিচ্ছেন। উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে ৮১ জন ডিলার চাল দিচ্ছেন। উপজেলা পর্যায়ে ৪র্থ শ্রেণীর সরকারি-কর্মচারীদের ফেয়ার প্রাইস কার্ডের মাধ্যমে চাল দেয়া শুরু হয়েছে এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে হতদরিদ্রদের কার্ড দেয়ার প্রস’তি চলছে। সূ্ত্র:সোনালী সংবাদ

পাতাটি ৩১০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন