logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo রাজশাহীতে বিভাগীয় যুব সমাবেশ আজ
আজ বুধবার বিভাগীয় যুব সমাবেশ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মহানগর যুবদলের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তারা বলেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলেও বিচার বিভাগ হাসিনা সরকারের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আওয়ামী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ধোকাবাজ, টেন্ডারবাজ, দুর্নীতিবাজরা এদেশের ১৬ কোটি মানুষকেই শুধু আতঙ্কিত করেনি, দেবদেবিকেও করেছে হেয় প্রতিপন্ন। রাজশাহী মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শেখ তুহিন। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি, সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিন, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন শেখ, বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি খায়রুল বাশার, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে বিভাগের ৮টি জেলা ও একটি মহানগরসহ মোট ৯টি কমিটি ঘোষণা করা হবে। সমাবেশ উপলক্ষে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।নতুন কর্মসূচী দেয়া হতে পারে চলতি মাস শেষে পল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ চলতি মাস শেষেই ঢাকায় মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। যদিও ইতিপূর্বে দলটির পক্ষ থেকে বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলার মধ্যে বড় ধরনের কর্মসূচী না দেয়ার ঘোষণা দেয়া হলেও হঠাৎ করে শেয়ারবাজারে অস্থিরতা, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিসহ সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ইস্যুতে বড় ধরনের সমাবেশ করে কর্মসূচী ঘোষণা করতে নীতিগত এ সিদ্ধান্ত। আর এ সমাবেশ থেকে বিএনপির সংসদে যাওয়ার ঘোষণাও দেয়া হতে পারে। দলের চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়া এই সমাবেশ সফল করতে দলের সিনিয়র ও ঢাকা মহানগরীর নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে দলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। সূত্রটির মতে, সমাবেশের স্থান নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি চূড়ান্ত না করার কথা বলা হয়েছে। জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে গত রোববার রাতে দীর্ঘ বৈঠক শেষে খালেদা জিয়া এই সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথেও বেগম জিয়া কথা বলেন। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই সমাবেশের স্থান নির্ধারণ ও সমাবেশের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি এই সমাবেশ পল্টন ময়দানেই করতে চায়। ২৮ ফেব্র“য়ারী সম্ভাব্য তারিখ রাখা হয়েছে। এ তারিখে পল্টন ময়দান পাওয়া না গেলে মার্চের প্রথম সপ্তাহে করা হবে। মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে খালেদা জিয়ার উপস্থিত থাকার কথা জানা গেছে। সূত্র জানায়, খালেদা জিয়াসহ বিএনপির সব নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ, শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, যানজট সমস্যার সমাধান এবং গ্যাস-গ্রি“্যৎ-পানিসহ নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবিতে এই মহাসমাবেশ। এর আগে গত বছর নভেম্বর মাসে জেলায় জেলায় সমাবেশ করার কথা থাকলেও সেই কর্মসূচি পালন করেনি বিএনপি। নতুনভাবে মার্চ মাস থেকে আবার জেলা পর্যায়ে মহাসমাবেশ করার চিন্তা-ভাবনা করছে দলটি। এ প্রসঙ্গে দলের স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেন, সরকার ব্যর্থ হয়েছে। মানুষের আজ কোন নিরাপত্তা নেই। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মানুষের মধ্যে হাহাকার সৃষ্টি হলেও সরকার তা দেখছে না। বিদ্যুৎ নেই ,পানি নেই- এক দুঃসহ জীবন অতিবাহিত করেেছ মানুষ। এ অবস্থায় বিরোধী দল হিসাবে যা করার তা বিএনপি করবে। সমাবেশ নিয়ে তিনি কোন কথা না বললেও ক্রিকেটের উল্লেখ করে বলেন, অনুমতি পাওয়া গেলে তো। কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, আপাতত রুটিন কর্মসূচীই চলবে। সরকারের ব্যর্থতার পাল্লা প্রতিদিন ভারি হচেছ। জনগণ নিজেদের দাবী আদায়ে নিজেরাই রাস্তায় নেমে আসছে। শেয়ারবাজার নিয়ে সরকার যা করছে তাতে বিরোধী দলকে আন্দোলন করতে হবে না। শেয়ার বাজারের বিনিযোগকারীরা হরতাল করার কথা বলছে। সূ্ত্র:নতুন প্রভাত

পাতাটি ৩৩১ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন