logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo রাজশাহীতে টেরাকোটার গহনা প্রদর্শনী
গহনা প্রদর্শনীর কথা শুনেই রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারে ছুটে এসেছিলেন রাজশাহী কলেজের "দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নওরিন। মুগ্ধ হয়ে দেখছিলেন দেওয়ালে দেওয়ালে ঝোলানো বাহারি নকশার সব গয়না। হঠাৎ বলে উঠলেন এগুলো কি মাটির তৈরি! তারই মতো মুগ হয়ে সড়ুল ছাত্রী সেতু বলে বাড়ি গিয়ে মাকে নিয়ে কিনতে আসব।
রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারে 'বাংলার টেরাকোটা' নামের একটি প্রতিষ্ঠান সাত দিনের পোড়ামাটির গয়না প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী চলবে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত।
প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের অধ্যাপক গুলনাহার বেগম। তিনি বলেন, 'এই গয়নাগুলো আমাদের পুরোনো সংসড়ৃতির নতুন সংসড়রণ।' বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী আর্ট কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ এস এইচ আজাদ।

প্রদর্শনীতে আছে পোড়া মাটির বাহারী গহনা। এর মধ্যে মেয়েদের হাতে চুড়ি, কানের দুল ও গলার লকেটসহ সাত-আট ধরণের গহনা রয়েছে। এগুলোর কোনোটিতে লতা-পাতা, কোনোটিতে বাংলার লোকজ ঐতিহ্যের নানা বিষয়-যেমন ঠেলা জাল, মাছের লেজ, তালের পাখা, চুলের বেনী, আবার কোনোটিতে উপজাতীয় নারীদের গহনার আকৃতি নকশা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও আফ্রিকার আদিবাসি নারীদের গহনার মোটিফও ব্যবহার হয়েছে এই সব গহনায়। টেবিলের ওপরে রাখা হয়েছে একটি আয়না। মেয়েরা গহনে পরে ঘুরে ফিরে দেখছেন। একটি বেসরকারি বিশ্ববদ্যািলয়ের শিক্ষার্থী ঐশী হাত ভরে চুড়ি কিনেছেন।

বাংলার টেরাকোটার প্রতিষ্ঠাতা চারুশিল্পী শহীদুল হাসান জানালেন, এই কাজ করতে এসে তাঁর পড়ালেখা, নেশা ও পেশা এক হয়ে গেছে। তিনি চান, মানুষ এগুলো জানুক, গ্রহণ করুক। এ জন্য শুধু ঢাকায় বসে থাকলে চলবে না। তাই ঢাকার বাইরে প্রদর্শনীর আয়োজন করেছেন। এটা তার নবম প্রদর্শনী।

পাতাটি ৩২৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন