logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজনৈতিক পরিবেশ রাজশাহীর ১১টি পৌরসভার অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ
রাজশাহীর ১১টি পৌরসভার ১০২টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৭৮টি ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলা পুলিশের প থেকে ৯৩টি এবং মেট্রোপলিটন পুলিশের প থেকে ৯টি ভোট কেন্দ্র সম্পর্ক তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এদিকে নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই রাজশাহীর ১১টি পৌর এলাকায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজনৈতিক পরিবেশ। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি এই দুটি দলের অভ্যান্তরিণ কোন্দ্বলই বেশি মাথা চাড়া দিচ্ছে পৌর নির্বাচনকে ঘিরে। এই দুটি দলের প্রায় প্রত্যেকটি পৌরসভায় একাধিক হারে প্রার্থী থাকার কারণে নিজেদের মধ্যেই অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক হারে। যে কোন সময় এসব পৌর এলাকায় অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে নির্বাচনের ২/১ দিন আগে এবং পরে এমনকি নির্বাচনের দিনেও অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দিতে পারে বলে সাধারণ এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন।
রাজশাহী জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ জানুয়ারি জেলার যে ১১টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তার মধ্যে জেলা পুলিশের আওতায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ১০টি পৌরসভা রয়েছে। এসব পৌরসভাগুলো হলো, কেশোরহাট, গোদাগাড়ী, কাঁকনহাট, মন্ডুমালা, তানোর, ভবানীগঞ্জ, তাহেরপুর, দুর্গাপুর, চারঘাট এবং আড়ানী। এছাড়াও মেট্রাপলিটন পুলিশের আওতায় একমাত্র কাটাখালি পৌরসভা রয়েছে। এসব পৌর সভার ১০২ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে জেলা পুলিশ ৬৯টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ ও ৩৪টি সাধারণ এবং মতিহার থানা পুলিশ ৯টিকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সূত্রে জানা গেছে, জেলার দুর্গাপুর পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূণ এবং ২টি সাধারণ, কেশোরহাট পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৩টি সাধারণ, গোদাগাড়ী পৌরসভার ১০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৫টি সাধারণ, কাকনহাট পৌরসভার ১১টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৬টি সাধারণ, আড়ানী পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৪টি সাধারণ, ভবানীগঞ্জ পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ২টি সাধারণ, তাহেরপুর পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৩টি সাধারণ, তানোর পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ২টি সাধারণ, মন্ডুমালা পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৪টি সাধারণ এবং চারঘাট পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৩টি সাধারণ। এছাড়াও মতিহার থানার আওতায় কাটাখালি পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোকেই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ৫টি এবং কম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ৪টি চিহ্নিত করা হয়েছে বলে মতিহার থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস. এম এমরান হোসেন বলেন, সাধারণত জনসংখ্যা, ওই এলাকার ভোটার এবং ভোট কেন্দ্রের স্থাপনা কাঁচা না পাকা সেই দিক বিবেচনা করেই গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ অথবা সাধারণ ভোট কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। তবে পুলিশের সঙ্গে এই কাচে নির্বাচন কমিশনেরও সংশ্লিষ্টতা থাকে।
সূএ:নতুন প্রভাত

পাতাটি ৩৩২ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন