logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo নগরীতে ছাত্রদলের ৩ কর্মী গ্রেফতার : বিএনপির মিছিলে পুলিশের বাধা : রাজশাহীতে সর্বাত্মক হরতাল পালিত
গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল রাজশাহীতে সর্বাত্মক ও শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। রাজশাহী মহানগরীর শাহ মখদুম থানার বায়া এলাকা থেকে পিকেটিং করার সময় ৩ জন ছাত্রদল কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়া কোথাও বড় ধরনের কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। রাবিতে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিএনপি নেতৃবৃন্দ নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট, গৌরহাঙ্গা রেল গেট, লক্ষ্মীপুর মোড়, বাস টার্মিনাল, তালাইমারী শহীদ মিনার চত্বর, বিনোদপুর, কাজলা, শালবাগান, নওদাপাড়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। নগরীর কুমারপাড়া দলীয় কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দও অবস্থান নেয়। সকাল ৭টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও রাজশাহী মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে হরতালের সমর্থনে ভূবন মোহন পার্ক থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এ সময় মিছিলটি সাহেব বাজার বড় রাস্তায় যাবার সময় জিরো পয়েন্টে পুলিশ বাধা দেয়। পরে মিছিলটি নগরীর বাটার মোড় ও মালোপাড়া দিয়ে গণকপাড়া এসে শেষ হয়।
এছাড়া সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শাহ মখদুম থানার বায়া এলাকার সরকারি শিশুসদনের সামনে থেকে ছাত্রদল কর্মীরা হরতাল সমর্থনে একটি মিছিল বের করে। পুলিশ ৩ ছাত্রদল কর্মীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃৃতরা হচ্ছে- ছত্রদল নেতা শাহনেওয়াজ, আতিকুজ্জামান এবং সাগর।
এদিকে, হরতাল চলাকালে রাজশাহী নগরীতে রিক্সা ছাড়া কোন যানবাহন চলাচল করেনি। তবে গতকাল সকালে রাজশাহী রেল স্টেশন থেকে সিডিউল অনুযায়ী বিভিন্ন রুটের ট্রেন ছেড়ে যায়। কিন্তু পুলিশী ব্যবস্থা থাকলেও চলাচল করেনি বিআরটিসিসহ কোন বাস। বন্ধ ছিল নগরীর সকল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন শ্রেণীর দোকানপাট। হরতালের সময় রাজশাহী নগরী জুড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়। হরতাল চলাকালে সরকারি অফিস, আদালত খোলা থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি ছিল কম। অফিসে কাজকর্ম হয়নি। আদালত খোলা থাকলেও এদিন কোন মামলা পরিচালিত হয়নি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। নগর ভবন, রাজশাহী রেল স্টেশন, চেম্বার ও রেলভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
অপরদিকে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃতে গৌরহাঙ্গা রেলগেট থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হরতাল বিরোধী মিছিল বের করে। মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে জিরো পয়েন্ট হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
বাঘা
বাঘা প্রতিনিধি জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিএনপি’র ডাকে সারাদেশের ন্যায় বাঘা উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়েছে। খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া উপজেলার সকল দোকানপাট বন্ধ ছিল। কোন যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। ব্যাংক বীমা, সরকারী অফিস খোলা থাকলেও লোকজনের উপস্থিতি ছিল কম। উপজেলা সদরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। মফঃস্বলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল কম। হরতালের পক্ষে বিপক্ষে পিকেটিং লক্ষ্য করা যায়নি। উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল।
তাহেরপুর
তাহেরপুর প্রতিনিধি জানান, গতকাল বিএনপি’র ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল তাহেরপুরে সুষ্ঠুভাবে পালন হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে তাহেরপুরের দু’একটি দোকান পাঠ ছাড়া প্রায় সব ধরণের দোকানপাট বন্ধ ছিলো। তাহেরপুরে ভারি যানবাহন বাস, ট্রাক চলাচল করেনি। তবে অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। স্কুল, কলেজ খোলা থাকলেও ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিত ছিলোনা। এছাড়াও ব্যাংক, বীমা, এনজিও’র অফিস খোলা থাকলেও লোকজনের উপস্থিতি ছিলোনা। আইন-শৃংখলা রক্ষার্থে তাহেরপুরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান হরিতলা মোড়, পুঠিয়া/দুর্গাপুর চার রাস্তা মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা ছিলো। হরতাল চলাকালে তাহেরপুরে অপ্রীতিকর কোন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
ভোলাহাট
ভোলাহাট প্রতিনিধি জানান, বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল গতকাল ৩০ নভেম্বর ভোলাহাটে ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে। দোকান-পাট খোলা ও জন জীবন স্বাভাবিক ছিল। ব্যাংক বীমা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলেনি। লোকাল ও দূরপাল্লার কোন বাস ছেড়ে যায়নি। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ওদিকে পুলিশের গ্রেফতার আতঙ্কে এবং ১৪ নভেম্বর হরতাল চলাকালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ভাংচুরের অভিযোগে ২টি মামলা হওয়ায় ভোলাহাট উপজেলা বিএনপির প্রায় ২ শতাধিক নেতা-কর্মী আত্মগোপন করেছে।
চারঘাট
চারঘাট প্রতিনিধি জানান, সারাদেশের ন্যায় বিএনপির ডাকা হরতাল চারঘাটে ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির ডাকা হরতালের সময় চারঘাটের সকল দোকানপাট, অফিস আদালত, ব্যাংক বীমা ছিল খোলা। রাস্তায় বাস-ট্রাক না চললেও অন্যান্য যানবাহন এর চলাচল ছিল স্বাভাবিক। কোথাও কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। গতকালের হরতালে বিএনপির কোন পিকেটিং রাস্তায় ছিল না। গাড়ী চলাচলে ছিল না কোন রকম বাধা বিপত্তি। তবে বিএনপির নেতারা বলছে চারঘাটে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করা হয়েছে।
ধামইরহাট
ধামইরহাট প্রতিনিধি জানান, গতকাল কেন্দ্রীয় বিএনপির আহুত হরতাল ধামইরহাটে ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে। সরকারী ও বেসরকারী অফিস-আদালত, ব্যাংক- বীমার কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। দোকান-পাট খোলা ছিল। দূর পাল্লার বাস ছাড়া অন্যান্য যানবাহন নিয়মিত চলাচল করে।
বাগমারা
বাগমারা প্রতিনিধি জানান, বাগমারায় শান্তিপূর্ণভাবে বিএনপি ডাকা দিনব্যাপী হরতাল পালিত হয়েছে। সকালে কিছু ভবানীগঞ্জে দোকানপাট বন্ধ থাকলেও পরে সব খোলা ছিল। কোন যানবাহন চলেনি। হরতালের সমর্থনে সকালে উপজেলা বিএনপি মিছিল সমাবেশ করেছে। ভবানীগঞ্জে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি মিছিল বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণের পর সমাবেশে মিলিত হয়। উপজেলা সভাপতি মকলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা উপাধ্যক্ষ আব্দুস সোবহান, আব্দুর রাজ্জাক, ইয়াছিন আলী, আশরাফুল ইসলাম আশু, গোলাম রাব্বানী সান্টু, মোজাম্মেল হক, যুবনেতা মেজবাহুল হক দুলু, জিল্লুর রহমান, কামাল হোসেন, প্রভাষক আমিনুল হক, শহিদুজ্জামন মুকুল, আফজাল হোসেন, আকতারুল ইসলাম বল্টু, হিটলার আলী, মতিউর রহমান মতিন, ছাত্র নেতা শাহীন রেজা, আলতাফ হোসেন, জহুরুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ, শাহাদত হোসেন প্রমুখ।
মহাদেবপুর
মহাদেবপুর প্রতিনিধি জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির ডাকা হরতাল মহাদেবপুরে শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে পালিত হয়েছে। হরতালের সময় ব্যাংক, অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাসহ রিকসাভ্যান ছাড়া কোন যানবাহন চলাচল করেনি। হরতালকালীন সকাল থেকে স্থানীয় বাসষ্ট্যান্ডে বিপুল সংখ্যক বিএনপি নেতা-কর্মী জমায়েত হলেও পুলিশী তৎপরতার কারণে এসব নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল না করে সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে একটি মৌন মিছিল করে। এ সময় বাসষ্ট্যান্ডে আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পীকার উপজেলা বিএনপি সভাপতি আখতার হামিদ সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক আঃ সাত্তার নান্নু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।
দুর্গাপুর
দুর্গাপুর প্রতিনিধি জানান, দুর্গাপুরে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়েছে সকাল থেকে উপজেলা মোড়সহ বাজারের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়ন ছিল। জেলা শহরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিলো বিছিন্ন। প্রতিদিনের মত স্কুল-কলেজে নিয়মিত ক্লাস হয়েছে, উপজেলা পরিষদে বিভিন্ন অফিস ছিলো খোলা। হরতালের পক্ষে বিপক্ষে কোন মিছিল মিটিং দেখা যায়নি।
নাটোর
নাটোর সংবাদদাতা জানান, বিএনপির ডাকা মঙ্গলবার দেশব্যাপি সকাল-সন্ধ্যা হরতাল নাটোরে শান্তিপূর্ণভাবে পালন হয়েছে। হরতালের সময় জেলার সব রাস্তা-ঘাট ফাঁকা, রিক্সা ছাড়া কোন যানবাহন চলাচল করেনি। বাস কাউন্টারগুলো বন্ধ ছিলো। ব্যাংক, বীমা, অফিস-আদালতে ভিতরে কাজ চললেও উপস্থিতি ছিলো খুব কম। ট্রেন ও রিকশা চলাচল ছিলো স্বাভাবিক। নাটোর শহরের হাফরাস্তায় হরতালের পক্ষে ছাত্রদল ও যুবদল এবং বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাজারে হরতালের বিপক্ষে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ মিছিল করেছে। হরতালের সময় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে জেলা বিএনপির অফিসসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সকল এলাকায় সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয় ও র‌্যাব টহল দেয়। এছাড়া বড়াইগ্রাম, গুরুদাসপুর, লালপুর, বাগিতপাড়াসহ জেলার সকল উপজেলা সদরেও শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন হয়েছে।
নীলফামারী
নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, নীলফামারীতে সকালÑসন্ধ্যা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। গোটা জেলায় যান্ত্রিক কোন যানবাহন চলাচল করেনি। তবে রিক্সা-ভ্যান, মোটরসাইকেল, অটোরিক্সা যথারীতি চলাচল করেছে। অফিস-আদালতে উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। গোটা জেলায় পুলিশ টহল ছিল চোখে পড়ার মতো। চিলাহাটী-পার্বতীপুর লাইনে ট্রেন চলাচল ছিল স্বাভাবিক। নীলফামারী শহরের গাছবাড়ি এলাকার রবিউল ইসলাম, পুরাতন ষ্টেশন এলাকার নুর আমিন হকিও মাজেদুলকে পিকেটিং করার অপরাধে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫টি উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। জেলার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মার্কেটসমূহ বন্ধ ছিল। দূরপাল্লার কোন যানবহন চলাচল করেনি। হরতালে সোনামসজিদ স্থল বন্দরের কার্যক্রমেও বিঘœ সৃষ্টি হয়। আমদানী-রপ্তানী স্বাভাবিক থাকলেও বন্দর থেকে কোন পণ্যবাহী ট্রাক ছেড়ে যায়নি বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে।
তানোর
তানোর প্রতিনিধি জানান, তানোরে বিএনপি’র ডাকা হরতাল গতকাল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। সকাল ১১টা পর্যন্ত দোকানপাট বন্ধছিল। এছাড়াও সারাদিন কোন যানবাহন চলাচল করেনি। হরতালের সমর্থনে সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এমরান আলী মোল্লার নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল তানোর পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা ডাকবাংলো চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দীন, বিএনপি নেতা মোজাম্মেল হক খাঁন, তানোর পৌর বিএনপি’র সভাপতি অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, সাধারণ সম্পাদক আরশাদ আলী, সাংগঠানিক সম্পাদক মুঞ্জুর রহমান ও ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
নওগাঁ
নওগাঁয় শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়েছে। সকালে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সড়ক অবরোধ করে পিকেটিং করার চেষ্টা করলে পুলিশী বাধায় করতে পারেনি। বড় ধরনের কোন যান চলাচল করতে পারেনি। রিক্সা-ভ্যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। দোকানপাট স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিল। হরতালকে ঘিরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশ, র‌্যাবসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর কঠোর
নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এদিকে সকাল ১১টায় আদালত চত্তরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদ প্রতিবাদ সমাবেশ করে। এতে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সভাপতি সুলতান আহম্মেদ, এজেডএম রফিকুল ইসলাম, খায়রুল আলম, সুমন প্রমুখ।
মহাদেবপুর
মহাদেবপুর প্রতিনিধি জানান, মহাদেবপুরে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়েছে। থানা বিএনপি সকাল থেকেই পিকেটিং শুরু করে। দোকান-পাট, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত বন্ধ ছিল। উপজেলা থেকে দূরপাল্লার কোন গাড়ি চলাচল করেনি। বেলা ১২টায় স্থানীয় বাসষ্ট্যান্ডে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক ডেপুটি স্পীকার আখতার হামিদ সিদ্দিকী। এরপরে একটি বিশাল মৌন মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। তবে সকাল থেকেই পুলিশের অবস্থান ছিল নিরব।
বাগাতিপাড়া
বাগাতিপাড়া প্রতিনিধি জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিএনপি’র ডাকে সারাদেশের ন্যায় বাগাতিপাড়া উপজেলা শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়েছে। খাবার ও ঔষধের দোকান ছাড়া উপজেলার প্রায় সকল দোকানপাট বন্ধ ছিল। কোন যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। ব্যাংক, বীমা, সরকারী অফিস খোলা থাকলেও লোকজনের উপস্থিতি ছিল কম। উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল কম। হরতালের পক্ষে বিপক্ষে পিকেটিং লক্ষ্য করা যায়নি। উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। হরতালের পক্ষে-বিপক্ষে কোন বিক্ষোভ মিছিল দেখা যায়নি। সূত্র:নতুনপ্রভাত

পাতাটি ৩৫১ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন