logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo সাধারণ সম্পাদক ভারপ্রাপ্ত নেই সভাপতিও
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মারা গেছেন দুই বছর আগে। একই সময়ে সাধারণ সম্পাদক রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় এই পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে একজন দায়িত্ব পালন করছেন। একজন সহসভাপতিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মারা গেছেন একজন। ২০০৫ সালে তিন বছরের জন্য নির্বাচিত ৭১ সদস্যের এই কমিটির অধিকাংশ সদস্য এখন নিষ্ক্রিয়। এ অবস্থায় সংগঠনে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে মাসুদুল হক সভাপতি ও এ এইচ এম খায়রুজ্জামান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের ৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুজনই মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে সাধারণ সম্পাদক মেয়র নির্বাচিত হন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় ওই বছরের ২২ আগস্ট সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতি মাসুদুল হক ও তাঁকে সমর্থন করায় সহসভাপতি মোস্তাক আহাম্মেদকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। এরপর মাসুদুল হক অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে কাউকেই নির্বাচিত করা হয়নি।
এদিকে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর যুগ্ম সম্পাদক শফিকুর রহমান ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংগঠনের একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে মেয়র এখনো পদত্যাগ করেননি। অথচ শফিকুর রহমান ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কয়েক মাস আগে কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দুটি সভায় সভাপতিত্ব করেন মেয়র। এ ছাড়া ঢাকায় তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন। অথচ নিয়ম অনুযায়ী কাউকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব দিতে হলে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে পদত্যাগ করতে হবে। আবার সভাপতি মারা যাওয়ার পর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু তা করা হয়নি। একেক সভায় পছন্দের একেকজনকে দিয়ে সভাপতিত্ব করানো হয়। সভাপতিও নির্বাচন করা হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম খায়রুজ্জামান বলেন, ‘সাধারণ সম্পাদক থাকলেও তাঁর অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে আরেকজনকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। এ রকম নজির কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগেও আছে।’ সভাপতির ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের তো সভাপতির দরকার নেই। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সভায় একেকজনকে দিয়ে সভাপতির কাজ চালানো হচ্ছে। এখন নতুন করে সভাপতি নির্বাচন করতে গেলে মতানৈক্য সৃষ্টি হবে, কারণ এ পদ পেতে আগ্রহী নয়জন। এখন ব্যক্তিগতভাবে কারও প্রত্যাশা থাকতে পারে। তাঁরা অনিয়মের কথা বলতে পারেন। কিন্তু আমাদের সাংগঠনিক কোনো সমস্যা নেই। ভালোই চলছে।’

পাতাটি ২৬৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন