logo

   

বিস্তারিত সংবাদ

News Photo রাজশাহীতে ঈদুল আযহা উদযাপিত
বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে রাজশাহীতে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়েছে। ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত এই ঈদ উৎসব ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম নবী (আ:) এর সুন্নাত কোরবানী আদায় করেছেন। ঈদুল আযহা মূলত: ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত। এর মূল শিক্ষা হচ্ছে ত্যাগের মধ্যে দিয়ে আল্লাহ্‌র নৈকট্য লাভের আনন্দ। রাজশাহীতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় হযরত শাহমখদুম (রহ:) কেন্দ্রিয় ঈদগাহ ময়দানে। নগরীর সর্ববৃহৎ এই জামাতে ইমামতি করেন, জামেয়া ইসলামীয়া শাহমখদুম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতী মাওলানা শাহাদত আলী। এই জামাতে রাজশাহীর বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মা এবং দেশ জাতির শান্তি সম্মৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে মুসল্লীগণ একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা জজকোর্ট মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তিনি মুসল্লীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নগরীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় সাহেববাজার বড় রাস্তায়। অপর বৃহত্তম জামাত অনুষ্ঠিত হয় টিকাপাড়াস’ মহানগর ঈদগাহ ময়দান ও পাচানী মাঠ ঈদগাহ ময়দানে। ঈদের নামাজ আদায় শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ হযরত ইব্রাহিম (আ:) এর আদর্শ ও সুন্নাত অনুসরণে পশু কোরবানী করেন। মূলত পশু কোনবানী ঈদুল আযহার ধর্মীয় কর্মসূচির একটি অন্যতম। কোরবানী শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি বাড়ি কোরবানীর মাংস বিতরণ করেছেন এবং দুস’ দরিদ্রদের মাঝে মাংস বিতরণ করেছেন। ঈদের পরের দিন মানুষ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে একে অপরের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এছাড়াও অনেকে নগরীর পদ্মা নদীর ধার, কেন্দ্রিয় উদ্যানসহ বিভিন্ন পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ঘুরে ঈদের ছুটি কাটিয়েছেন। সুএ:সোনালী সংবাদ

পাতাটি ২৫৬ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

সংগ্রহকারী:

 মন্তব্য করতে লগিন করুন