logo



আমার লেখালেখি



আমার প্রিয় লেখা



আমার ছবিঘর



অনলাইনে আছেন

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর নতুন বন্ধু নাজমুল


আমাদের সাথে আছেন ৫৭ জন অতিথী
  

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর অনলাইন ডায়েরী

আপনাদের সকলের উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত এবং বরকত বর্ষিত হোক

ডায়েরী লিখছেন ৭ বছর ৮ মাস ২৪ দিন
মোট পোষ্ট ৬১টি, মন্তব্য করেছেন ১৫৪টি


একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িত প্রথম আলোর সম্পাদক

লিখেছেন : আব্দুল্লাহ-আল-নোমান       তারিখ: ২২-০৯-২০১০



প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানকে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ঘটনায় জাতীয় সংসদে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানালেন মন্ত্রী-এমপিরা। একই সঙ্গে পত্রিকাটিতে গত কয়েক দিন স্পিকার, সংসদ সদস্যসহ জাতীয় সংসদ নিয়ে বিতর্কিত বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় এর সম্পাদক মতিউর রহমানকে সংসদে হাজির ও কৈফিয়ত তলবের দাবি করেছেন তারা। মতিউর রহমানের সম্পদের উৎস সম্পর্কেও জানতে চেয়েছেন তারা। গতকাল সংসদে প্রায় দেড় ঘণ্টা প্রথম আলোর ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য রাখেন তারা।

এ সময় সংসদে উপস্থিত মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা প্রথম আলোয় প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদসহ মহাজোটের প্রবীণ অনেক সদস্যও এ ব্যাপারে পত্রিকাটির কড়া সমালোচনা করেন। তারা জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রথম আলোয় প্রকাশিত বিভিন্ন খবরের অসত্যতা উদাহরণসহ তুলে ধরে বলেন, এই পত্রিকাটির মালিক ও সম্পাদক ১/১১-এর সময় সেনাশাসিত সরকারকে সমর্থন দেয়। কিন্তু সেই সময় তারা সফল হতে না পেরে আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। একুশে আগস্ট শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য সরকারের কাছে তারা দাবি জানান। তারা বলেন, ওই পত্রিকাটির সম্পাদকের চরিত্র অতীতে কী ছিল এবং বর্তমানে তার অবস্থান কী তা বের করতে হবে। এ সময় প্রথম আলো পত্রিকা ও তার সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংসদ সদস্যরা সমস্বরে দাবি জানান।

প্রথমে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে মুজিবুল হক চুন্নু প্রথম আলোয় প্রকাশিত বিভিন্ন খবর খণ্ডন করে বলেন, জাতির কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্যই সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও আয়করবিহীন বেতন নিয়ে মনগড়া খবর ছেপেছে তারা। অথচ ওই পত্রিকাটিতেই শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির বিষয়ে উৎসাহ দিয়ে উপসম্পাদকীয় লেখা হয়েছিল। অথচ এখন তারা এর বিরুদ্ধে খবর ছাপছে।

এরপর নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার সঙ্গে প্রথম আলোর সম্পাদক অভিযুক্ত বলে বিভিন্ন মহলের সন্দেহ। পত্রিকাটির সম্পাদক মতিউর রহমানের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধনও হয়েছে। আমরা মনে করি, এ বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত এবং তদন্তে তিনি অভিযুক্ত প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়াও উচিত।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী একই দাবিতে আরো জোরালো ভাষায় বলেন, ওয়ান-ইলেভেনে প্রথম আলোর সম্পাদক গণতন্ত্র হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মতিউর রহমান ওয়ান-ইলেভেনের নেপথ্য নায়কদের সহযোগিতা করেছেন। তিনি একসময় সাপ্তাহিক একতা পত্রিকা থেকে প্রথম আলোর সম্পাদক হয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তিনি এত সম্পদের মালিক কিভাবে হয়েছেন তা খতিয়ে দেখা হোক। তিনি এখন জাতির বিরুদ্ধে কী কী ষড়যন্ত্র করছেন তা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। এ সময় তার পাশে বসা একাধিক সংসদ সদস্য প্রথম আলোর সম্পাদককে 'খুনি! খুনি' বলে পাটমন্ত্রীর বক্তব্য সমর্থন করেন। মন্ত্রী বলেন, তিনি যখন বিদেশে যান তখন তো কেউ লিখেননি। কার টাকায় তিনি বিদেশ যান। তা কি জাতিকে জানান?

এ সময় ফজলুল করিম সেলিম বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। ১/১১-এর আগেই যারা কল্পকাহিনী ছেপে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল তারাই এখন ষড়যন্ত্র করছে। সেই সময় যারা ব্যর্থ হয়েছে তারাই এ কাজ করছে।

শেখ সেলিম আরো বলেন, যারা সংসদ সদস্যদের সামান্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে লিখেন তাদের সঙ্গে জনগণের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাদের বাসায় একজন ভিক্ষুকও ঢুকতে পারে না। এ সময় তিনি স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, এসব ব্যক্তিকে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের দায়ে সংসদে তলব করুন। জাতির বিবেক সেজে যেসব বুদ্ধিজীবী বিভ্রান্তিমূলক খবর প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আপনার ক্ষমতা আছে তাদের তলব করার।

এসব বক্তব্যের ফাঁকে স্পিকার বলেন, প্রথম আলোতে কার্টুন সহকারে যেভাবে সংসদ সদস্যদের হেয় করে সংবাদ ছাপা হয় তা গ্রহণযোগ্য নয়। এভাবে সংসদ ও সংসদ সদস্যদের হেয় করা ঠিক নয়।


সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

২৯৩২ বার পঠিত

 
২৪-০৯-২০১০
কায়সার আহমেদ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।


মন্তব্য করতে লগিন করুন।
  

সাম্প্রতিক মন্তব্য







ছবিঘরের নতুন ছবি