logo



আমার লেখালেখি



আমার প্রিয় লেখা



আমার ছবিঘর



অনলাইনে আছেন

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর নতুন বন্ধু নাজমুল


আমাদের সাথে আছেন ৪৯ জন অতিথী
  

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর অনলাইন ডায়েরী

আপনাদের সকলের উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত এবং বরকত বর্ষিত হোক

ডায়েরী লিখছেন ৭ বছর ১০ মাস ২৬ দিন
মোট পোষ্ট ৬১টি, মন্তব্য করেছেন ১৫৪টি


উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প হলে বিনা মূল্যে সেচ দেওয়া যাবে

লিখেছেন : আব্দুল্লাহ-আল-নোমান       তারিখ: ২১-০৭-২০১০



উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষকদের বিনা মূল্যে সেচ দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজশাহীতে ‘উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প: স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরন্তর প্রচেষ্টা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বরেন্দ্র অঞ্চলকে মরুকরণের হাত থেকে বাঁচাতে দ্রুত এ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান।
রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আয়োজনে নগরের শিল্প ও বণিক সমিতি মিলনায়তনে এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক জামাত খান। এতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান, রাজশাহী সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন, রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীসহ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান। তিনি উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা বর্ণনা করেন। এই প্রকল্পের পানির উৎস সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ২০০৫ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে শুষ্ক মৌসুমে পানির গড় প্রবাহ ছিল সেকেন্ডে ৬৯৫ ঘনমিটার। গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) প্রকল্পে সেকেন্ডে ১৫৩ ঘনমিটার ও উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্পে সেকেন্ডে ৬৩ ঘনমিটার পানির প্রবাহ দরকার হবে। তাই পদ্মার পানিকে এই প্রকল্পের জন্য নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচনা করা যায়। প্রকল্পটি এই অঞ্চলের জন্য লাভজনক হবে।
মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান বলেন, এ অঞ্চলের কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য প্রকল্পের যৌক্তিকতা, প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের ব্যাপারে ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন। বর্তমান সরকারের আমলেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। মেয়র বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষকদের বিনামূল্যে সেচ দেওয়া সম্ভব হবে।
সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূগর্ভ ও ভূপৃষ্ঠের পানি সমন্বয় করে সেচকাজে ব্যবহার করা যাবে। সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভারতের সঙ্গে এ অঞ্চলের বাণিজ্য বাড়বে। ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, প্রকল্পটি দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হবে।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নিজামূল হক ভূঁইয়া বলেন, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার নয়টি উপজেলায় বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতায় ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হয়। উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উঁচু এলাকাগুলো (হাই বারিন্ড) চাষের আওতায় আসবে। তিনি জানান, প্রকল্প প্রস্তাব (পিপি) সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তাঁরা এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আছেন।

২৯৭৪ বার পঠিত

 
মন্তব্য করতে লগিন করুন।
  

সাম্প্রতিক মন্তব্য







ছবিঘরের নতুন ছবি