logo



আমার লেখালেখি



আমার প্রিয় লেখা



আমার ছবিঘর



অনলাইনে আছেন

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর নতুন বন্ধু নাজমুল


আমাদের সাথে আছেন ১০ জন অতিথী
  

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর অনলাইন ডায়েরী

আপনাদের সকলের উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত এবং বরকত বর্ষিত হোক

ডায়েরী লিখছেন ৭ বছর ৬ মাস ২৫ দিন
মোট পোষ্ট ৬১টি, মন্তব্য করেছেন ১৫৪টি


মেয়র লিটন ও এমপি বাদশাকে ক্ষমা চাইতে বললেন মিনু

লিখেছেন : আব্দুল্লাহ-আল-নোমান       তারিখ: ১০-০৫-২০১০



৭ মে শুক্রবার রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা মহাজোটের সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে বিভিন্ন মন্তব্য করে বক্তব্য দেয়ায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বিরুদ্ধে নৈতিকস্খলনসহ ১৯ দফা দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ এনে ওইসব বক্তব্যকে প্রত্যাখান করে ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য লিটন ও বাদশার প্রতি আহবান জানিয়েছেন সাবেক মেয়র ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনু। গত ৮ মে শনিবার রাজশাহী মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত রাজশাহী মহাজোটের সংবাদ সম্মেলনে বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর সম্পর্কে মিথ্যাচারিতার জবাবে সংবাদ সম্মেলনে মিনু এই অভিযাগ করেন।

গত ৫ মের মহাসমাবেশকে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহাসিক সফল সমাবেশ উল্লেখ করে মিনু বলেন, ওইদিন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া যে ভাষণ দিয়েছেন তা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে এবং তাতে দেশবাসীর আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। ফ্যাসিবাদ ও জুলুমবাজ সরকারের অত্যাচার-নির্যাতনে দেশবাসী যখন দিশেহারা তখন বেগম জিয়ার আন্দোলনের ব্যাপারে প্রস্তুত হওয়ার ঘোষণা দেশবাসীকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করেছে। এতে মহাজোটের নেতারা ভীত হয়ে বেগম জিয়ার ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে মিথ্যাচার করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মিনু তাঁর লিখিত বক্তব্যে মেয়র লিটনের বিরুদ্ধে নৈতিকস্খলনসহ ১৯টি দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযাগ এনে তা সাংবাকিদের পাঠ করে শোনান। এগুলো হলো-লিটন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের মেয়ে ফারিকা জামান আনিকার এসএসসির রেজাল্ট পরিবর্তন জিপিএ ৫ করে না দেয়ায় শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে তাড়ানোর হুমকি দিয়ে নৈতিক স্খলনের অপরাধ করেছেন। তখনই তিনি এ পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন।

তাঁর মদদেই রাজশাহীতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ ক্যাডাররা সন্ত্রাস পরিচালনা করছে, শিক্ষাঙ্গণে আজ শিক্ষার পরিবেশ নেই। সব প্রশাসন অতিষ্ঠ, ইতোমধ্যে তিনি নিজ ক্যাডারবাহিনী দ্বারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ দলীয় ভিসিকে হুমকি এবং বোর্ড চেয়ারম্যানকে সরাসরি হুমকি দিয়েছেন, যা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। মেয়র লিটনের গাড়ীতে করে অবৈধ মালামাল রাজশাহী থেকে ঢাকায় যাচ্ছে তা অনেকেই জানেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি দামকুড়া হাটে গরুর ট্রাক থেকে চাঁদা আদায় এবং দালালী করতেন এটা সবারই জানা। এ জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও ক্ষুব্ধ। গোদাগাড়ীর পলাশীতে এক মুক্তিযোদ্ধার জায়গা দখল করে মাছের খামার তৈরি করে আওয়ালের সাথে মাছের ব্যবসা করতেন এটাও সবারই জানা।

বিধি লঙ্ঘন করে এমপি এনামুল ও আওয়ালের সাথে ২০ভাগ গোপন চুক্তিতে তিনটি বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠণ করছেন। রাজশাহী ছাড়াও ঢাকা, চট্রগাম ও বিদেশে তিনি গোপন ব্যবসা ও সম্পদ গড়ছেন। অর্থের বিনিময়ে তিনি রাজশাহীর গ্যাস লাইনের কাজ আপন দুলাভাইকে দিয়ে করাচ্ছেন। মেয়র নির্বাচনের সময় ২৩ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে কোনো কিছুই করতে না পেরে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছেন। নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির পরিবর্তে হোল্ডিং ট্যাক্স ও পানির বিল বৃদ্ধি করে নগরবাসীর প্রতি জুলুম করছেন। এ নিয়েও কারসাজি করে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। কর্মসংস্থানের কথা বলে সহস্রাধিক বেকার যুবক-যুবতীদের কাছ থেকে কাজ শেখানোর নাম করে প্রচুর টাকা অর্থআত্মসাত করেছেন।

চাকুরির নামে তিনি নিজে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। রেলওয়ে, পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি, সিএমএমইউ, মেডিকেল ও ফেসেলিটিসসহ অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানের টেন্ডার তিনি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করেন এবং ২০ পার্সেন্ট করে টাকা গ্রহণ করেন। দেড় বছরের মধ্যে নিজ বাড়ি রাজমহল করেছেন। সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ। তাঁর মদদেই একাধিকবার ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হাতে অনেক সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হলেও সেগুলো কৌশলে ধামাচাপা দিয়েছেন। তিনি কাউন্সিলরদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করছেন। সিটি কর্পোরেশনের ৪০ কাউন্সিলরের বরাত দিয়ে গত বৃহস্পতিবার যে বিবৃতি দেয়া হয়েছে তা কাউন্সিলরদের ব্লেকমেইল ছাড়া আর কিছুই নয়। নগর ভবনে সাধারণ গরীব-দুঃখী মানুষকে সময় না দিয়ে তিনি দলীয় কার্যালয় এবং সন্ত্রাসী নেতাকর্মি ও সমর্থকদের আখড়ায় পরিণত করেছেন। বেশীরভাগ সময় বদলি আর তদবির বাণিজ্যে ব্যস্ত থাকেন তিনি।

নিজদলের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী প্রকাশ্যেই রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র লিটন ও তিন এমপি শাহরিয়ার আলম, ইঞ্জিনিয়ার এনামুল ও আব্দুল ওয়াদুদ দারার বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও তিনি সরকারের মন্ত্রী শাহজাহানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন।

মিনু এসব অভিযোগ করে বলেন, আমি ১৫ বছর মেয়র এবং ৫ বছর এমপি ছিলাম। কোনো দুর্নীতি করেনি। বিগত মইন-ফখরুদ্দিন সরকার অনেক চেষ্টা করেও দুর্নীতির কোনো অভিযোগ আনতে না পেরে অবশেষে সাজানো চাঁদাবাজির মামলায় আমাকে ১৩ বছর সাজা দেয়া হয়েছিল। পরে আমি তা থেকে খালাস পেয়ে নির্বাচন করেছি।

লিটনের উদ্দেশ্যে মিনু চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, একজন ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে কমিটি করেন সেখানে আমি আমার সম্পদের হিসাব দিব, সাহস থাকলে আপনি আপনার সম্পদের হিসাব দিন। আপনি পারবেন না, কারণ আপনি দুই বছরের মধ্যেই অবৈধ উপায়ে বিশাল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।

তিনি সদর আসনের এমপি ফজলে হোসেন বাদশাকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে বলেন, গত দেড় বছরে রাজশাহীর জন্য তিনি কোনো কিছুই করতে পারেননি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশকে প্রদান করলেও তিনি রাজশাহীর জন্য এক টাকাও আনতে পারেননি। এ জন্য তিনি তাকে বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় কমিটি থেকে পদত্যাগ করার জন্য আহবান জানান। এছাড়াও নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করায় আদর্শচ্যুত নেতা আখ্যায়িত করে বলেন, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দ্বারা দিনের আলোতে ছাত্রমৈত্রীর নেতা সানি প্রাণ হারালেও বাদশা এব্যাপারে কোনো ভুমিকা না রেখে সন্ত্রাসীদেরকে উৎসাহিত করেছেন।

মিনু আরও বলেন, আওয়ামী লীগ গত ৫ মে আমাদের মহাসমাবেশে বিভিন্নভাবে বাঁধার সৃষ্টি করে। সিংড়ার এমপি খুনী পুলকের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে বিএনপি নেতা জাকির হোসেনকে হত্যাসহ অসংখ্য নেতাকর্মি আহত করে। শতাধিক গাড়ী ভাংচুর এবং উত্তরবঙ্গের অনেক জেলার নেতাকর্মিদের আসতে দেয়নি। মেয়র লিটন ও এমপির শাহরিয়ারের নেতৃত্বে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান সম্পর্কে ব্যাঙ্গাত্মক পোস্টার লিফলেট ছড়িয়ে এবং পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে তারা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন। এটা কোনো গণতান্ত্রিক রাজনীতি হতে পারে না। তারা এখন নোংড়া রাজনীতি করছে। তিনি এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এবং হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, মহাজোটের সাংবাদিক সম্মেলনে মিথ্যাচার করে দাবি করা হয়, বিএনপির আমলে রাজশাহীর কোনো উন্নয়ন হয়নি। অথচ যে দিকে তাকানো যাবে সেদিকেই বিএনপির উন্নয়ন ছাড়া আর কেউ কিছু করেছে বলে দেখতে পাওয়া যায় না। বিগত ১৫ বছর আমি মেয়র থাকাকালীন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সহযোগিতায় রাজশাহীতে অন্তত ৪ হাজার কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। যার সুফল মহানগরবাসী ভোগ করছেন।

অথচ বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এবং বর্তমান সরকার ৭ বছরে রাজশাহীর উন্নয়নে কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করছে বলে আমার জানা নেই। তবে রাজশাহীবাসীর চোখে পড়ার মতো শেখ হাসিনা একটি কাজই করেছেন তা হলো কুমারপাড়া এলাকায় মোটরশ্রমিক এর কার্যালয় ভেঙ্গে আওয়ামী লীগের কার্যালয় নির্মাণ করেছেন। গত প্রায় দুই বছরে বর্তমান মেয়র সন্ত্রাস-দুর্নীতি ও টেন্ডারবাজিতে রাজশাহীর শান্তি বিনষ্ট করে দিয়েছে। আওয়ামী ত্যাগী নেতাকর্মিরাই তাকে মিস্টার টুয়েন্টি পার্সেন্ট বলে আখ্যায়িত করে আসছে। তাঁর অত্যাচারে রাজশাহীর স্থানীয় সকল প্রশাসন অতিষ্ঠ। সবমিলে বর্তমান মেয়র একজন দুর্নীতিবাজ মেয়র হিসেবে ইতোমধ্যেই রাজশাহীবাসীর কাছে পরিচিতি লাভ করেছেন। তার বিরুদ্ধে সীমাহীন অভিযোগ।

মিনু আরও বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই দেশে হত্যা খুন-ধর্ষণ, অত্যাচার-নির্যাতন এবং সন্ত্রাস বেড়ে যায়। দেশের কোনো উন্নয়ন হয় না, দেশ বিরোধী চুক্তি করে। তাদের ফারাক্কা চুক্তির কারণেই দেশ আজ মরুকরণের শিকার। বিশেষ করে রাজশাহী অঞ্চল ভয়াবহ হুমকির সম্মুখীন। এবারও এর কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত ও চীন সফরে গিয়ে দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি করে এসেছেন।

গত ১৬ মাসে এই সরকার দেশ চালাতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এই সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ওই বিদ্রোহীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যমুনায় বৈঠক করে শেরাটন হোটেল থেকে খাবার এনে খাইয়ে সুস্থ মস্তিষ্কে দেশপ্রেমী চৌকস ওই সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছে। ওই ঘটনার সঙ্গে সরকারের এমপি-মন্ত্রীরাই জড়িত। অথচ কথিত তদন্তের নামে সেই ঘটনা ধামাচাপা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার ছাত্রলীগ, যুবলীগ ক্যাডারদের দ্বারা হত্যা-খুন, নারী ধর্ষন চালিয়ে যাচ্ছে। যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মীরা মা-বোনদের ওপর নির্যাতন-অত্যাচার চালাচ্ছে। শহীদ মিনার, ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বদরুননেসা ও আনন্দমোহন কলেজসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রী নির্যাতন ও লাঞ্চিত হচ্ছে। তাদের নেত্রীরা ইডেন কলেজের মেয়েদের মন্ত্রী-এমপি ও ব্যবসায়ীদের মনোরঞ্জনের জন্য পাঠাচ্ছে। অন্যদিকে দেশে এখন গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের হাহাকার। দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অত্যাচার নির্যাতনে জনগণ আজ দিশেহারা। মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। প্রশাসনকে দলীয়করণ করা হয়েছে। ন্যায় বিচারের পথ রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে নিম্ন আদালত পর্যন্ত দলীয় লোক বসানো হয়েছে। মানুষ ন্যায় বিচার পায় না। সারাদেশে আজ চরম অরাজকতা চলছে। এ অবস্থা চলতে পারে না। ফলে ক্ষমতাসীনদের অন্যায়-অত্যাচার এবং দেশবিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে মানুষ সোচ্চার হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যে সরকার ভীত হয়ে পড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মিনু ছাড়াও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জহুরুল ইসলাম, মহানগর সেক্রেটারী শফিকুল হক মিলন, রফিকুল হক দুলাল, তোফাজ্জল হোসেন তপু, বিএনপি নেতা এলাহী মন্ডল, কাজী হেনা, নজরুল ইসলাম, মশিউর রহমান রাজা, রাসিকের ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনসার উদ্দিন, যুবদল নেতা আসলাম সরকার, ছাত্রদল সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট ও সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমান রিটন উপস্থিত ছিলেন।

২৬২২ বার পঠিত

 
মন্তব্য করতে লগিন করুন।
  

সাম্প্রতিক মন্তব্য







ছবিঘরের নতুন ছবি