logo



আমার লেখালেখি



আমার প্রিয় লেখা



আমার ছবিঘর



অনলাইনে আছেন

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর নতুন বন্ধু নাজমুল


আমাদের সাথে আছেন ২ জন অতিথী
  

আনারুল এর অনলাইন ডায়েরী

এই জালিম দুনিয়ায় বেঁচে থাকা বড়ই দায় ।

ডায়েরী লিখছেন ৪ বছর ৪ মাস ১৭ দিন
মোট পোষ্ট ৫০টি, মন্তব্য করেছেন ৬টি


আওয়ামী লীগ এখন ‘জন-আতঙ্কে’ ভুগছে -খালেদা জিয়া

লিখেছেন : আনারুল       তারিখ: ২৬-০৭-২০১৩



আওয়ামী লীগ সরকার এখন ‘জন-আতঙ্কে’ ভুগছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, কুকুরে কামড় দিলে যেমন জলাতঙ্ক রোগ হয়। এই সরকারও জনগণকে ভয় পায় বলে তারা জন আতঙ্কে ভুগছে। তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলে দিতে চাই, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। দলীয় সরকারের অধীনে এদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। আগামী নির্বাচন হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনেই। সব দল সেই নির্বাচনে অংশ নেবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে বিকল্পধারা বাংলাদেশ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

খালেদা জিয়া বলেন, জবাবদিহিতার ভয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন দিতে চায়। কিন্তু তাদের ক্ষমতায় রেখে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। গত সাড়ে চার বছরে মানুষের জন্য সরকার কোনো কাজ করেনি অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বলেছেন, সেই ভয়ে সরকার এখন ‘জন আতঙ্কে’ ভুগছে। নির্দলীয় সরকারের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড একই রকম হতে হবে। আমরা চাই- নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এটা এখন জনগণের দাবি। সেই নির্বাচনে যারা জিতবে, তারাই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাবে। এটা সবাইকে মেনে নিতে হবে।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সরকার দেশের জন্য কোনো ভালো কাজ করেনি। দুর্নীতি, লুটপাট ও সন্ত্রাসে তারা ব্যস্ত ছিলো। এজন্য একদিন তাদের জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। সরকারের উদ্দেশ্যে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, এখন আর সময় নষ্ট না করে সংবিধানে সংশোধনী এনে নির্দলীয় সরকার পদ্ধতি সংযোজন করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।

এর আগে স্বাগত বক্তব্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরী বলেন, সরকার নির্দলীয় সরকারের দাবি স্বীকার না করলে দেশ মহাসংকটের দিকে ধাবিত হবে। অনেক সংঘাত হবে। আমি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনেই দিতে হবে। এটি জনগণের শেষ কথা। নইলে এর পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ।

মঞ্চে সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির সহ-সভাপতি সাদেক হোসেন খোকা, বেগম সেলিমা রহমান, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, সাংবাদিক মাহফুজউলাহ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাাপক পিয়াস করীম, বিকল্পধারা’র সভাপতিম-লীর সদস্য ড. রুহুল আমিন ব্যাপারী, মোজাফফর আহমেদ, বিকল্পধারা’র মহাসচিব আবদুল মান্নান, যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য আবদুল মতিন সাউদ, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শফিক উদ্দিন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির যুগ্ম মহাসচিব আসাদুর রহমান খান প্র্রমুখ একই টেবিলে বসে ইফতার করেন।

এছাড়া বিএনপির মহিলা দলের শিরিন সুলতানা, বিকল্পধারার সভাপতিম-লীর সদস্য অধ্যাপক নুরুল ইসলাম ব্যাপারী, সহ-সভাপতি মাহবুব আলী, যুব ধারা’র ওবায়েদ মৃধা, ছাত্রধারা’র ওয়াসিউল হক চৌধুরী, ফয়েজ চৌধুরীসহ কয়েকশ’ নেতা-কর্মী এই ইফতারে অংশ নেন।

৪৫৬ বার পঠিত

 
মন্তব্য করতে লগিন করুন।
  

সাম্প্রতিক মন্তব্য



ছবিঘরের নতুন ছবি