logo



আমার লেখালেখি



আমার প্রিয় লেখা



আমার ছবিঘর



অনলাইনে আছেন

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর নতুন বন্ধু নাজমুল


আমাদের সাথে আছেন ২ জন অতিথী
  

আনারুল এর অনলাইন ডায়েরী

এই জালিম দুনিয়ায় বেঁচে থাকা বড়ই দায় ।

ডায়েরী লিখছেন ৪ বছর ৪ মাস ১৭ দিন
মোট পোষ্ট ৫০টি, মন্তব্য করেছেন ৬টি


খালেদা জিয়ার ইফতার মাহফিল দেশের শীর্ষ রাজনীতিকদের মিলন মেলায় পরিণত

লিখেছেন : আনারুল       তারিখ: ১৩-০৭-২০১৩




বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিল দেশের শীর্ষ রাজনীতিবিদদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া ক্ষমতাসীন ১৪ দলের শরীক দলের শীর্ষ নেতারাও বেগম জিয়ার আমন্ত্রণে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। ইফতার মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের কাছে শীর্ষ নেতারা একবাক্যে স্বীকার করেছেন, দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ তত্ত্বাবধায়কের পক্ষে। তাই আগামী নির্বাচন হতে হবে তত্ত্বাবধায়কের অধীনেই। কোনো দলীয় সরকারের অধীনে এদেশে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। অনেকেই বলেছেন, এখন দেশের মানুষের মুখে মুখে একটিই কথা, ‘প্রথম ও শেষ দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা’।

গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে রাজনীতিবিদদের সম্মানে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন খালেদা জিয়া। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়। মঞ্চে খালেদা জিয়ার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেনÑ বিকল্পধারার চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল অব. অলি আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক একেএম নাজির আহমেদ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর আহমেদ, মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, ইসলামী ঐক্যজোটের আমীর মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামি, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, এনডিপির গোলাম মর্তুজা, বাংলাদেশ ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গাণি, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমেদ আব্দুল কাদের, পিপলস লীগের চেয়ারম্যান গরিবে নেওয়াজ, ইসলামিক পার্টির সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মুবিন, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান শেখ আনোয়ারুল হক, ডেমোক্রেটিক লীগের মহাসচিব সাইফুদ্দিন মনি, মুসলিম লীগের এএইচ এম কামরুজ্জামান, মুফতি ওয়াক্কাস, মুসলিম লীগের একাংশের নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট নুরুল হক মজুমদার এবং খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফ। এছাড়া হেফাজতে ইসলামের প্রতিনিধি মাওলানা নুর হোসেন কাশেমী, মাওলানা এমএ করিম ইবনে মোসাব্বির উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া খালেদা জিয়ার ডান পাশে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গনি, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান ,তরিকুল ইসলাম, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, আ স ম হান্নান শাহ, বেগম সারোয়ারি রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান। পরে জাতীয়তাবাদী উলামা দলের সেক্রেটারি মাওলানা নেছারুল হকের পরিচালনায় দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জেএসডির সভাপতি আসম আব্দুর রব, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, নির্বাহী পরিষদের সদস্য মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার,আবদুর রব, আমিনুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মাওলানা শামসুল ইসলাম এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রেদোয়ানুল্লাহ শাহেদী, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, ফরিদ হোসেন, মোবারক হোসেন, এ কে এম রফিকুন নবী, কবির আহমদ, লুৎফুর রহমান, আবদুর রহমান মুসা, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সেলিম, মুফতি আজহারুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর আবদুর রব ইউছুফি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শূরা সদস্য ফরিদ হোসেন, জাকের পার্টির কায়ছার হামিদ, বিকল্পধারার মাহী বি চৌধুরী, জাতীয় পার্টির আবু হোসেন বাবলা, সালমা ইসলাম এমপি, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, আবুল হাসনাত আমিনী প্রমুখ।

বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে ছিলেন, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল নোমান, বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, বাংলাদেশ বার কুাউন্সিলের সহ-সভাপতি এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকতুল্লাহ বুলু, হারুনুর রশীদ খান মুন্নু. মিজানুর রহমান মিনু, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা শিরিন সুলতানা, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ। এছাড়া সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, গাজীপুরের মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান, খুলনার মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, রাজশাহীর মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বরিশালের মেয়র আহসান হাবিব কামাল ইফতারে অংশ নেন।

ইফতারের আগে প্রতিটি টেবিলে ঘুরে সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া। তিনি সবার সাথে কুশল বিনিময় করেন। ইফতারে ক্ষমতাসীন দলের কেউই না আসাকে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টি ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছে। এছাড়া ইফতারে ক্ষমতাসীন দলের না আসাকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘দুভার্গ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এটা দেশের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়। আমরা সকালে শুনেছি- তারা বিরোধী দলীয় নেতার ইফতারে আসবেন। আমরা উৎসাহিত হয়েছিলাম। তারা আসলে দেশবাসী একে ইতিবাচক হিসেবে দেখতো। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতারা এই ইফতারে আসেননি। এটা দুভার্গ্যজনক। জামায়াতে ইসলামী ইফতারে অংশ নেয়ায় আওয়ামী লীগের নেতারা এই ইফতারে আসেননি- এরকম প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা সঠিক নয়। অতীতে জামায়াতের সঙ্গে তারা (আওয়ামী লীগ) অনেকবার বৈঠক করেছেন। আন্দোলন করেছেন। তাই এখন যেটা বলা হচ্ছে- তা কোনো যুক্তি হতে পারেনা। আসলে তারা তাদের অতীত ইতিহাস থেকে বের হতে পারেনি। আ’লীগের ইফতারে বিএনপি অংশ নিবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দাওয়াত দিলে বিবেচনা করবো।

জাতীয় পার্টির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফর আহমদে বলেন, ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা বিরোধী দলীয় নেতার ইফতারে আসেননি, এটা দুঃখজনক। আমাদের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইফতারে কেউ আমন্ত্রণ জানালে তাতে অংশ নেয়াটা সৌজন্যতা। গতকাল (শুক্রবার) আমাদের দলের ইফতার ছিলো। এতে ক্ষমতাসীন দলসহ অনেক রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছেন। আমাদের দলের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইফতার হচ্ছে একটি মিলন মেলা। আজকেও তারা যোগ দিলে এটিও মিলন মেলা হতো। ক্ষমতাসীন দলের সম্পর্কে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর বলেন, দেশে এক পরিবর্তনের যে হাওয়া চলছে, তাকে যৌক্তিক পরিণতিতে নিতে হবে। আমরা আশা করেছিলাম, শাসক দল জনগণের ভাষা বুঝতে পারবে। কিন্তু তাদের আজ ইফতারে না আসাটা দুঃখজনক।

তিনি জানান, বিরোধী দলীয় নেতার এই ইফতারে দলের প্রেসিডেন্ট এরশাদ মহাসচিবসহ সভাপতিম-লীর সদস্যদের অংশ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আজ এখানে এসে খুশি হয়েছি। ১৮ দলীয় জোটের সঙ্গে জাতীয় পার্টি যুক্ত হবে কিনা প্রশ্ন করা হলে কাজী জাফর বলেন, অপেক্ষা করুন। সব দেখতে পাবেন। জাতীয় পার্টি সবসময় ইতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গি নিয়ে এগোয়।

বিকল্পধারা বাংলাদেশ এর সভাপতি সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ক্ষমতাসীন দল বিরোধী দলের নেতার ইফতারে যোগ দেননি, এটা নতুন কিছু নয়। আমি এতে অবাক হইনি। তবে আমরা মনে করিÑ তারা এই ইফতারে যোগ না দিয়ে সমঝোতার রাজনীতির একটি সুযোগ হারালো। তিনি বলেন, আমাদের বক্তব্য স্পষ্টÑ বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনেই হতে হবে।বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিল দেশের শীর্ষ রাজনীতিবিদদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া ক্ষমতাসীন ১৪ দলের শরীক দলের শীর্ষ নেতারাও বেগম জিয়ার আমন্ত্রণে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। ইফতার মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের কাছে শীর্ষ নেতারা একবাক্যে স্বীকার করেছেন, দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ তত্ত্বাবধায়কের পক্ষে। তাই আগামী নির্বাচন হতে হবে তত্ত্বাবধায়কের অধীনেই। কোনো দলীয় সরকারের অধীনে এদেশে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। অনেকেই বলেছেন, এখন দেশের মানুষের মুখে মুখে একটিই কথা, ‘প্রথম ও শেষ দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা’।

গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে রাজনীতিবিদদের সম্মানে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন খালেদা জিয়া। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়। মঞ্চে খালেদা জিয়ার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেনÑ বিকল্পধারার চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল অব. অলি আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক একেএম নাজির আহমেদ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর আহমেদ, মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, ইসলামী ঐক্যজোটের আমীর মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামি, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপি চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, এনডিপির গোলাম মর্তুজা, বাংলাদেশ ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গাণি, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমেদ আব্দুল কাদের, পিপলস লীগের চেয়ারম্যান গরিবে নেওয়াজ, ইসলামিক পার্টির সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মুবিন, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান শেখ আনোয়ারুল হক, ডেমোক্রেটিক লীগের মহাসচিব সাইফুদ্দিন মনি, মুসলিম লীগের এএইচ এম কামরুজ্জামান, মুফতি ওয়াক্কাস, মুসলিম লীগের একাংশের নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট নুরুল হক মজুমদার এবং খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফ। এছাড়া হেফাজতে ইসলামের প্রতিনিধি মাওলানা নুর হোসেন কাশেমী, মাওলানা এমএ করিম ইবনে মোসাব্বির উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া খালেদা জিয়ার ডান পাশে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গনি, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান ,তরিকুল ইসলাম, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, আ স ম হান্নান শাহ, বেগম সারোয়ারি রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান। পরে জাতীয়তাবাদী উলামা দলের সেক্রেটারি মাওলানা নেছারুল হকের পরিচালনায় দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জেএসডির সভাপতি আসম আব্দুর রব, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, নির্বাহী পরিষদের সদস্য মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার,আবদুর রব, আমিনুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মাওলানা শামসুল ইসলাম এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রেদোয়ানুল্লাহ শাহেদী, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, ফরিদ হোসেন, মোবারক হোসেন, এ কে এম রফিকুন নবী, কবির আহমদ, লুৎফুর রহমান, আবদুর রহমান মুসা, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সেলিম, মুফতি আজহারুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর আবদুর রব ইউছুফি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শূরা সদস্য ফরিদ হোসেন, জাকের পার্টির কায়ছার হামিদ, বিকল্পধারার মাহী বি চৌধুরী, জাতীয় পার্টির আবু হোসেন বাবলা, সালমা ইসলাম এমপি, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, আবুল হাসনাত আমিনী প্রমুখ।

বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে ছিলেন, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল নোমান, বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, বাংলাদেশ বার কুাউন্সিলের সহ-সভাপতি এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকতুল্লাহ বুলু, হারুনুর রশীদ খান মুন্নু. মিজানুর রহমান মিনু, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা শিরিন সুলতানা, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ। এছাড়া সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, গাজীপুরের মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান, খুলনার মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, রাজশাহীর মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বরিশালের মেয়র আহসান হাবিব কামাল ইফতারে অংশ নেন।

ইফতারের আগে প্রতিটি টেবিলে ঘুরে সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া। তিনি সবার সাথে কুশল বিনিময় করেন। ইফতারে ক্ষমতাসীন দলের কেউই না আসাকে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টি ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছে। এছাড়া ইফতারে ক্ষমতাসীন দলের না আসাকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘দুভার্গ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এটা দেশের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়। আমরা সকালে শুনেছি- তারা বিরোধী দলীয় নেতার ইফতারে আসবেন। আমরা উৎসাহিত হয়েছিলাম। তারা আসলে দেশবাসী একে ইতিবাচক হিসেবে দেখতো। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতারা এই ইফতারে আসেননি। এটা দুভার্গ্যজনক। জামায়াতে ইসলামী ইফতারে অংশ নেয়ায় আওয়ামী লীগের নেতারা এই ইফতারে আসেননি- এরকম প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা সঠিক নয়। অতীতে জামায়াতের সঙ্গে তারা (আওয়ামী লীগ) অনেকবার বৈঠক করেছেন। আন্দোলন করেছেন। তাই এখন যেটা বলা হচ্ছে- তা কোনো যুক্তি হতে পারেনা। আসলে তারা তাদের অতীত ইতিহাস থেকে বের হতে পারেনি। আ’লীগের ইফতারে বিএনপি অংশ নিবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দাওয়াত দিলে বিবেচনা করবো।

জাতীয় পার্টির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফর আহমদে বলেন, ক্ষমতাসীন দলের সদস্যরা বিরোধী দলীয় নেতার ইফতারে আসেননি, এটা দুঃখজনক। আমাদের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইফতারে কেউ আমন্ত্রণ জানালে তাতে অংশ নেয়াটা সৌজন্যতা। গতকাল (শুক্রবার) আমাদের দলের ইফতার ছিলো। এতে ক্ষমতাসীন দলসহ অনেক রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছেন। আমাদের দলের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ইফতার হচ্ছে একটি মিলন মেলা। আজকেও তারা যোগ দিলে এটিও মিলন মেলা হতো। ক্ষমতাসীন দলের সম্পর্কে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর বলেন, দেশে এক পরিবর্তনের যে হাওয়া চলছে, তাকে যৌক্তিক পরিণতিতে নিতে হবে। আমরা আশা করেছিলাম, শাসক দল জনগণের ভাষা বুঝতে পারবে। কিন্তু তাদের আজ ইফতারে না আসাটা দুঃখজনক।

তিনি জানান, বিরোধী দলীয় নেতার এই ইফতারে দলের প্রেসিডেন্ট এরশাদ মহাসচিবসহ সভাপতিম-লীর সদস্যদের অংশ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আজ এখানে এসে খুশি হয়েছি। ১৮ দলীয় জোটের সঙ্গে জাতীয় পার্টি যুক্ত হবে কিনা প্রশ্ন করা হলে কাজী জাফর বলেন, অপেক্ষা করুন। সব দেখতে পাবেন। জাতীয় পার্টি সবসময় ইতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গি নিয়ে এগোয়।
বিকল্পধারা বাংলাদেশ এর সভাপতি সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ক্ষমতাসীন দল বিরোধী দলের নেতার ইফতারে যোগ দেননি, এটা নতুন কিছু নয়। আমি এতে অবাক হইনি। তবে আমরা মনে করি তারা এই ইফতারে যোগ না দিয়ে সমঝোতার রাজনীতির একটি সুযোগ হারালো। তিনি বলেন, আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনেই হতে হবে।

৫১১ বার পঠিত

 
মন্তব্য করতে লগিন করুন।
  

সাম্প্রতিক মন্তব্য



ছবিঘরের নতুন ছবি